দেশবাংলা

যমুনার ভাঙ্গনে নিঃস্ব ও আশ্রয়হীন হাজারো মানুষ

শুস্ক মৌসুমে যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার ৪ ইউনিয়নের ৮টি গ্রামে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ১টি গ্রাম। বাকী ৭টিও বিলুপ্তির পথে।

সব হারিয়ে নিঃস্ব ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন শত শত মানুষ। ভাঙ্গনরোধে আশ্বাস নয়,দ্রুত পদক্ষেপ চান ভূক্তভোগীরা। এদিকে, প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় বলছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড।

শুস্ক মৌসুমে অব্যাহত ভাঙ্গনে সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার ৪ ইউনিয়নের ৮টি গ্রামে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এনায়েতপুর স্পার এলাকা থেকে হাটপাচিল পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই ভাঙ্গন। শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের মুল ঘাটাবাড়ী গ্রাম এখন শুধুই স্মৃতি।

একই ইউনিয়নের বাওইখোলা, পাকুরতলা, ভেকা এবং খুকনি ইউনিয়নের ব্রহ্মণগ্রাম ও আরকান্দিও প্রায় বিলুপ্তির পথে। কৌজুরী ইউনিয়নের হাটপাচিল ও চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুর গ্রাম নতুন করে ভাঙ্গন তান্ডবে আশিংক অবশিষ্ট রয়েছে।

দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এ গ্রাম দুটিও বিলুপ্তির আশংকা স্থানীয়দের। ভাঙ্গনে কবলে সব হারিয়ে নিঃস্ব শত শত মানুষ। খোলা আকাশের নীচে উৎকন্ঠায় বসবাস করছেন ভাঙ্গন কবলিত মানুষ।

এদিকে, আশ্বাস নয় ৭’শ ৯২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়। স্থায়ী বাঁধ হবে সাড়ে ৬ কিলোমিটার আর নদীতে ১০ কিলোমিটার ড্রেজিং করবে বলে জানান, রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মহম্মদ আলী।

২০১৬ সাল থেকে ভাঙ্গন শুরু হলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা বলছেন, এলাকার জনপ্রতিনিধিরা সঠিক দায়িত্ব পালন করলে আজ এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

মাহমুদুল হাসান, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button