ফ্রান্সের অব্যাহত ধর্মঘটে বিপাকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

ফ্রান্সে পেনশন আইন সংস্কারের দাবিতে কাজ বন্ধ করে লাখো কর্মজীবী মানুষের ধর্মঘটের ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন। ৫ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত এ ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় ক্রেতাশুণ্য হয়ে পড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ফলে ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
ধর্মঘটে সংশ্লিষ্ট ট্রেড ইউনিয়নগুলো বলছে, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দাবি মেনে না নেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন। ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় ধর্মঘট বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ধর্মঘটের কারণে পুরো দেশে মারাত্বক অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে।
৮০ ভাগ যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে কর্মজীবীরা কাজে যেতে পারছেন না। আবার অনেকেই কাজে যাচ্ছে পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে বিক্ষোভে মানুষের উপস্থিতির সংখ্যা ৮ লাখ ৬ হাজারের মত । ধর্মঘটের সমর্থনে ৮০ শতাংশ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ও ৭০শতাংশ স্কুল বন্ধ রয়েছে।
বাতিল করা হয়েছে প্রায় ২০শতাংশ বিমান ফ্লাইট। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণপরিবহন অপারেটর আরএটিপি, এসএনসিএফ, সরকার পরিচালিত বিদ্যুৎ কোম্পানি ইডিএফ, জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স, পুলিশ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইনজীবী
ট্যাক্সি ও মালবাহী যানবাহন চালক, ডাক বিভাগের কর্মকর্তা,সরকারি কর্মচারী, শোধনাগার কর্মী ও শিক্ষার্থীসহ অটোমোবাইল নির্মাণকারী কোম্পানি রেনল্টের কর্মীরাও এ ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করেছে।
রাসেল আহমেদ, ফ্রান্স প্রতিনিধি



