দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে ‘নাফ ট্যুরিজম পার্ক’এর কাজ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর মোহনায় দেশের প্রথম দ্বীপভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র ‘নাফ টুরিজম পার্ক’ এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রায় ২শ ৯০ একরের অধিক জায়গা জুড়ে নির্মানাধীন এ পার্কটি। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল বেজার তদারকিতে থাইল্যান্ডের সিয়াম সিয়াম ইন্ট্যারন্যশনাল বিনিয়োগ করেছে প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
এদিকে, আগামী ২ বছরের মধ্যে এটি পর্যটকদের ভ্রমণ উপযোগী করার কথা বলছে সংশিষ্টরা।
মুল ভূখন্ড থেকে দৃশ্যমান একটি বৃত্তাকার দ্বীপের নাম টেকনাফ জালিয়ার দ্বীপ। এ দ্বীপটি যুগের পর যুগ স্থানীয়রা দখল করে মাছ চাষ করে আসছিলেন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল বেজার চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী, দেশে দ্বীপভিত্তিক পর্যটন শিল্প বিকাশের বিষয়টি চিন্তা করে এ দ্বীপকেই নাফ টুরিজম পার্ক করার উদ্যোগ গ্রহন করেন।
এরপর থেকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে এর অবকাঠামো। ইকোফ্র্যান্ডলি এ টুরিজম পার্কটিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি প্রতিবছর ১০ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করতে পারবেন এতে। মুল ভুখন্ড থেকে প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার পথ ক্যাবল কার যোগে নদী পথ পার হয়ে, পৌঁছুতে হবে দ্বীপটিতে।
নাফ টুরিজম পার্ক চালু হলে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প বিশ্ব দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় বিবেচিত হবে বলে জানান, পর্যটন উদ্যোক্তারা।
পার্কটিতে ঝুলন্ত সেতু, পাচঁতারকা হোটেল, রিভার ক্রুজ, ইকো কটেজ, শিশু পার্ক, ভাসমান রেস্তোরাসহ, নানাবিধ সুবিধা থাকবে বলে জানান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো কামাল হোসেন।
একপাশে মিয়ানমার অন্যপাশে সারিসারি পাহাড়, এ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব মিতালী। সবমিলে এই নাফ টুরিজম পার্ক হবে পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা। এমনটি ভাবনা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।
আমিনুল হক আমীন, বাংলা টিভি, কক্সবাজার



