বাংলাদেশ

স্বামীকে আটকে রেখে পোশাককর্মীকে ধর্ষণ

ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক পোশাককর্মীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ঢাকার কাফরুল থানা এলাকার ইমান নগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ওই নারী। তবে মামলা দুদিন আগে হলেও ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে ১ জানুয়ারি সোমবার ভোরে।

২৭ বছর বয়সী ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। ওই পোশাককর্মী ইমাম নগরে একটি টিনশেড বাসায় তার দিনমজুর স্বামীকে নিয়ে গত এক বছর ধরে ভাড়া থাকছেন।

এদিকে, মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্থানীয় কর্মী বলে ওই নারীর দাবি। পুলিশের ধারণাও তাই। শনিবার মামলার পর জাহাঙ্গীর নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি দুজন জনি ও আতিক দেওয়ানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান, এসআই রবিউল।

ওই নারী জানিয়েছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটে ভোর ৪টার দিকে ক্ষুধা লাগলে স্বামীকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। ওই এলাকায় দুটি দোকান সারারাত খোলা থাকে। কিন্তু সেদিন দোকান দুটি বন্ধ দেখে ফেরার পথে জনি ও আতিকের কবলে পড়েন তারা।

তিনি বলেন, পাশের একটি গলিতে ঢুকলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ক্লাবের জনি ও আতিক দেওয়ান পথ আটকে বলে, এত রাতে আমরা রাস্তায় কেন? তারা আমাকে ‘খারাপ মেয়ে’ বলে আমার স্বামীকে যা তা বলে মারধর শুরু করে। তারা আমার কাছে আমাদের বিয়ের কাবিননামা চায়।

ওই নারী বলেন, উপায়ান্তর না দেখে যে বাসায় থাকি, সে বাসার ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলমকে ডাকি। কিন্তু উনার কাছ থেকে সহযোগিতা পাইনি, উনি এসে জনি ও আতিকের সামনে উল্টাপাল্টা বলতে শুরু করে। এরপর জনি আমাকে বলে, ‘চল তোর বাসায় গিয়ে দেখি কাবিননামা’।

এই বলে আমার স্বামীকে ক্লাবে রেখে জনি ও জাহাঙ্গীর বাসায় আসে। আমার বাসায় ঢুকে জনি বলে, ‘তোর স্বামীকে মেরে ফেলব যদি তুই চিৎকার করিস’। এরপর জনি তাকে ধর্ষণ করে এবং জাহাঙ্গীর বাইরে পাহারা দেয় বলে ওই নারীর অভিযোগ। আতিক তার স্বামীকে আটকে রেখেছিল।

এরপর তারা আমার স্বামীকে ছেড়ে দেয়। পরে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করে থানায় গিয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই নারী।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close