
বঙ্গোপাসাগরে সফল মিসাইল উৎক্ষেপনের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বাৎসরিক মহড়া। দীর্ঘ ১৮ দিনব্যাপী আয়োজিত এ মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট ওপিভি মাইনসুপার,পেট্রোল-ক্রাফট, মিসাইল বোট, হেলিকপ্টার অংশ নেয়।
হঠাৎ আগুনের ঝলকানি বঙ্গোপসাগরে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৬০ ন্যাটিকামাইল দুরত্বে গভির সমুদ্রে গিয়ে মিসাইল উৎক্ষেপনের মাধ্যমে শুরু হয় মহড়া। ৪টি ধাপে অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় নৌবাহিনীর প্রধান যুদ্ধ জাহাজ বি এন এস বঙ্গবন্ধু, অদম্য, সমুদ্র জয়, সংগ্রাম, প্রত্যাশাসহ নৌবাহিনীর উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ এতে অংশ নেয়।
এরপর মিসাইল দিয়ে দুরের লক্ষবস্তুকে আঘাত, জলদস্যুর হাত থেকে জাহাজ উদ্ধার ও হেলকপ্টার ল্যান্ডিং দেখানো হয়।
এর আগে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান যুদ্ধ জাহাজ বি এন এস বঙ্গবন্ধুতে গিয়ে পৌঁছুলে রিয়ার এ্যডমিরাল বিএন ফ্লিট কমান্ডার এম নাজমুল হাসান ও বিএন এস বঙ্গবন্ধুর অধিনায়ক ক্যাপ্টেন ই এম আমানত উল্লাহর নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এসময়, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকার ব্লু ইকোনোমি নিয়ে কাজ করছে। বাংলদেশ নৌবাহিনী এখন ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা অর্জন করেছে। দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদা প্রস্তুত বলে জানালেন, রিয়ার এ্যডমিরাল এম নাজমুল হাসান ।
মহড়ার এ্যান্টএয়ার র্যাপিড ওপেন ফায়ার, আরডিসি ফায়ার ও নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন কলাকৌশল ছিল উল্ল্যেখযোগ্য।
রনি গোমেজ, চট্রগ্রাম প্রতিনিধি



