দেশবাংলা

তীব্র শীতে সরিষা চাষে আশির্বাদ

সরিষা চাষে সিরাজগঞ্জ দেশের দ্বিতীয় হলেও এবছর শীর্ষে। তীব্র শীত সরিষা চাষে আশির্বাদ বলে এই সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে, বলছে কৃষি বিভাগ। সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় সোয়া লাখ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদন হবে এ জেলায়। আর উৎপাদিত সরিষার ন্যায্যমূল্য চান কৃষকরা।

তবে, যত্রতত্র পুকুর খনন করায় জলাবদ্ধতার ফলে, সরিষাসহ ইরি-বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কৃষি বিভাগের।

ঋতু বৈচিত্রের এ বাংলায় বছরের বিভিন্ন সময় বর্ণিল রঙ আর অনাবিল সৌন্দর্য নিয়ে সজ্জিত হয় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও রায়গঞ্জ। হেমন্তের শুরুতে দিগন্ত জুড়ে হলুদ সরিষা ফুল হৃদয় ছুঁয়ে যায়। চোখ যতদুর যায় মাঠ ছেয়ে গেছে হলুদবর্ণে। মধু সংগ্রহে শুরু হয়েছে মৌখামারীদের মিলন মেলা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, গতবছর সরিষা উৎপাদনের দিক থেকে সিরাজগঞ্জ ছিল দেশের দ্বিতীয় স্থানে। চলতি বছর অতিতের রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রায় ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে সরিষা। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সোয়া লক্ষ মেট্রিক টন।

যা দেশের অন্য যে কোনো জেলার তুলনায় বেশী। এর কারণ হিসেবে অতি শীতকে আশির্বাদ মনে করছে কৃষিবিভাগ। তবে কষ্টার্জিত উৎপাদিত সরিষার ন্যায্যমূল্য চান কৃষকরা।

অন্যদিকে, শষ্যভান্ডারখ্যাত তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় কৃষি জমিতে পুকুর খনন করায়, আবাদি জমির পরিমান দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে, উৎপাদনে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলছে, জেলা কৃষি বিভাগ। এখনো দেশের জাতীয় আয়ে ২৫ শতাংশ আসে কৃষি থেকে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে সরকার কৃষি জমি রক্ষায় নজরদারী বাড়াবে বলে আশা করছেন, সংশ্লিষ্টরা।

মাহমুদুল হাসান উজ্জল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button