দেশবাংলা

আম্পান: বাগেরহাটে ৪ হাজার ৬৩৫টি চিংড়ি খামার ভেসে গেছে

করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই দেশে হানা দিলো সুপার সাইক্লোন আম্পান। এতে, স্বাভাবিক জোয়ারের ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে, বাগেরহাটে ৪ হাজার ৬৩৫টি চিংড়ি খামারের মাছ ভেসে গেছে। করোনার প্রভাবে এমনিতিই চিংড়ির বাজার ছিলো মন্দা। তারওপর আম্পানের আঘাতে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, করোনার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুমিল্লার পোল্ট্রি শিল্প। যানবাহন বন্ধে ক্রেতা না আসায় ডিম ও মুরগী বিক্রি করতে না পেরে হতাশায় রয়েছেন খামারীরা। বাগেরহাটে সুপার সাইক্লোন আম্পানের স্বাভাবিক জোয়ারের ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে শরনখোলা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/৩ পোল্ডারের ২শ মিটার রিং বাঁধ ভেঙ্গে,  শরণখোলার কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে।

তবে, ঝড়ে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কয়েক হাজার চিংড়ি চাষী। জেলার ৪ হাজার ৬শ ৩৫টি মৎস্য ঘের ভেঁসে গেছে। এতে, জেলার সরকারীভাবে ক্ষতি ধরা হয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বেসরকারী হিসেবে এ ক্ষতির পরিমান আরোও বেশি বলে দাবি চাষিদের। করোনার মধ্যেই আম্পানের থাবায় স্থানীয় চিংড়ি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ক্ষতির দিক তুলে ধরেন, মৎস্য কর্মকর্তা ও  জেলা প্রশাসক।

এদিকে, কুমিল্লার পোল্ট্রি খামারীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ডিম নেয়ার জন্য গাড়ি আসে না। মাংস বিক্রির জন্য পালন করা মুরগী, নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাবার পরও বিক্রি করতে পারছেন না। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গাড়ী দিয়ে ঘুরে ঘুরে ডিম বিক্রি করে, কোন রকম পুঁজি ওঠাতে পারলেও, মুনাফা নেই।

এমতবস্থায় সরকার খামারিদের প্রনোদনা না দিলে এ শিল্পটি বড়ধরনের  বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশংকা খামারীদের। কুমিল্লা জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জানান,করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ খামারীরা যেন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত প্রনোদনা সঠিকভাবে পায়, সে লক্ষে তালিকা তৈরী করা হচ্ছে।

 করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ চিংড়ি ব্যবসায়ী ও মুরগির খামারীদের ঘুরে দাঁড়াতে দ্রুত প্রণোদনার দাবী ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button