
মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলকে ৮ দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত প্রশাসন। এদিকে, আটক পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েতের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হলেও সংসদের পক্ষে থেকে করার কিছু নেই বলে জানান জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী।
গেলো ৬ জুন শনিবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯ টায় মানব ও অর্থপাচারের অভিযোগে কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি, মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে।
কুয়েতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাপুলকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে নানা তথ্য। কুয়েতের এক সংসদ সদস্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এবং অজ্ঞাত পরিচয় এক নাগরিককে ৫৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন পাপুল।মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে সাংসদ পাপুলকে ৮ দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কুয়েত প্রশাসন।
বিদেশের আইন অনুযায়ী পাপুলকে আটক করা হয়েছে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের কিছু করার বা বলার নেই বলেও জানান জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী। এদিকে, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে এবং পাপুলের শ্যালিকাকে বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
বাংলাটিভি/শহীদ



