দেশবাংলা

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে একদল স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী

‘ডেঙ্গু রোধে কিশোরগঞ্জ’ নামে স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক সামাজিক সংগঠন গড়ে তুলেছেন একদল স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী। বুধবার শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এদিকে, কিশোরগঞ্জে করোনাভাইরাস সংক্রমণ অবস্থার মধ্যেই বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গুর প্রকোপের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই শঙ্কা থেকে জেলা সদরের একদল তরুণ গড়ে তুলেছেন স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক সামাজিক সংগঠন। এই কার্যক্রমের উদ্যোক্তা লুৎফুল্লাহ হুসাইন পাভেল লিখিত বক্তব্যে বলেন, কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকায় নয়টি ওয়ার্ডে এডিস মশার জন্মস্থল বিনাশ করতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ছয়টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটানো হবে।

সেই সঙ্গে পৌরবাসীর মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে লিফলেট বিতরণ করা হবে। “প্রতি ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ৮০-৯০ জন স্বেচ্ছাসেবী এই কর্মসূচিতে কাজ করবেন। মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের সবাই ছাত্র। কেউ স্কুলে, কেউ কলেজ এবং কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছেন।”

এসব কিশোর-তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের ডেঙ্গু বিরোধী কর্মকাণ্ড তত্ত্বাবধান করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল ইসলাম। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মশা নিয়ন্ত্রণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপদেষ্টা হিসাবেও দায়িত্বরত আছেন।

জেলার সিভিল সার্জন মুজিবুর রহমান বলেন, উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারের কার্যক্রমের পাশাপাশি যুব সমাজ ও সচেতন মহল যদি এভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে এগিয়ে আসেন তাহলে ডেঙ্গুসহ সকল সমস্যা সমাধান সহজতর হবে।

‘ডেঙ্গু রোধে কিশোরগঞ্জ’-এর সমন্বয়ক শহীদুল হক লাভলু বলেন, গত বছর কিশোরগঞ্জের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ব্যাপক হারে আক্রান্ত যেমন হয়েছে, মারাও গেছে অনেক। “এবার করোনার কারণে সমস্যাটি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই আমরা মানুষকে সচেতন করতে স্বেচ্ছাশ্রমে মাঠে নেমেছি।”

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close