
করোনা পরিক্ষায় জালিয়াতি মামলার প্রধান আসামী, রিজেন্ট সাহেদকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র্যাব। বুধবার বিকেল ৫ টার দিকে র্যাব সদর দপ্তর থেকে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে ভোরে, সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেফতারের পর তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় র্যাব সদর দপ্তরে আনা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাহেদকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে নামে র্যাব।
বুধবার ভোর ৫টার দিকে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদকে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর সকাল ৯টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় অবৈধ অস্ত্র ও তিন রাউন্ড গুলী উদ্ধার করা হয় তাঁর কাছ থেকে।
পলাতক থাকা অবস্থায় নিজেকে আড়াল করতে নানা অপকৌশলের আশ্রয় নেন সাহেদ। বোরকা পরে দেশত্যাগের শেষ চেষ্টা করলেও, তা ব্যর্থ করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে এ প্রতারককে।
র্যাব সদর দপ্তরে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাহেদকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে তার ব্যাক্তিগত অফিসে অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ জাল টাকা। প্রায় এক ঘণ্টার অভিযান শেষে আবারো তাকে সদর দপ্তরে নেয়া হয়।
এ সময় র্যাব মহাপরিচালক জানান, ভারতে পালিয়ে যাবার সময় গ্রেফতার করা হয় সাহেদকে। এমন প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়ে, প্রতারণার শিকার ব্যাক্তিদেরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন র্যাব মহাপরিচালক। পরে বিকেলে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চাইবে বলে জানা গেছে।
আরমান কায়সার, বাংলাটিভি



