আওয়ামী লীগরাজনীতি

ফসলের পাশাপাশি শাকসবজি ও ফল উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ খাদ্যমন্ত্রীর

ফসলের পাশাপাশি শাকসবজি ও নানা প্রজাতির দেশজ ফলের উৎপাদন বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বৃহস্পতিবার “Monitoring report 2020 of the Bangladesh Second Country Investment plan Nutrition-Sensitive food System” শীর্ষক এক সভায় একথা বলেন তিনি।

এফএও, ইউএসএআইডি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এফপিএমইউ এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষিজমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে। প্রতি ইঞ্চি জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে হবে।

এজন্য সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। বরেন্দ্র এলাকায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায় না, এ এলাকায় ফসল উৎপাদনের জন্য কিভাবে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ফসলের প্রাপ্য মূল্যের নিশ্চয়তা দিতে হবে। তাহলে কৃষক ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হবে, নিরুৎসাহিত হবে না।

মন্ত্রী আরো বলেন, এই করোনা কালীন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসলের পাশাপাশি সবজি ও নানা ধরনের দেশজ ফল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। উৎপাদনের পর সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন করতে হবে। সবজি ও ফলমূলের ক্ষেত্রে কৃষকের চেয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশি মুনাফা নিয়ে যায়, ফলে দিন দিন কৃষকের এ সেক্টরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

কিন্তু শাকসবজি ও দেশজ ফল বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির অন্যতম উৎস। করোনা মহামারীর কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই করোনা থেকে কবে মুক্তি তা এখনও কেউ জানে না, সে জন্য নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে কিভাবে এই করোনাকে মোকাবেলা করে দারিদ্র্যের হার কমানো যায়।

মন্ত্রী বলেন, এই করোনাকালে অনেকেই মাস্ক পরে না, এজন্য আরো সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তেমনি খাদ্যেও অনেকে ভেজাল দেয়। এজন্য আমরা জনসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের মনকে ভেজাল মুক্ত করতে না পারবো, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ভেজাল মুক্ত হতে পারবনা। তিনি এই করোনাকালীন সময়ে সেবার মনমানসিকতা নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button