দেশবাংলাবাংলাদেশ

খুলনায় হচ্ছে এশিয়ার প্রথম আধুনিকমানের গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে অর্জিত বিজয়ের পেছনে রয়েছে গণহত্যার এক নির্মম ইতিহাস। যার নমুনা যথাযথ সংরক্ষণ নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। একাত্তরের গণহত্যার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে খুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম ‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’ নির্মিত হয়েছে।বাঙালির মুক্তি,স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধের নির্মম পর্ব গণহত্যার ইতিহাসকে এখানে মেলে ধরা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গণহত্যা নিয়ে অনেক দেশেই আমস্টারডামের অ্যান ফ্রাংক জাদুঘরসহ, তৈরী হয়েছে গণহত্যা জাদুঘর। সেসব দেশের শিশুদের ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ানো হয় গণহত্যার ইতিহাস। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়কে গুরুত্ব দিলেও,৩০লাখ মানুষের আত্মদান আর দুই লাখ মা-বোনসহ, নারকীয় নিযার্তন ও গণহত্যা   নিয়ে ইতিহাসের  বিকৃতি হয়েছে বহুবার। ফলে বিভ্রান্তি বাড়ছে নতুন প্রজন্মের মাঝেও।

দেশের মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার ইতিহাস নতুন প্রজন্মসহ সবার সামনে তুলে ধরতে,২০১৪ সালে খুলনায় গড়ে তোলা হয়,দেশের প্রথম ১৯৭১ গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বরাদ্দে,২০১৬ সালে খুলনার ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের সরকারী জমিতে, স্থায়ীভাবে জাদুঘরটি স্থানান্তরিত হয়। এরপর শুরু হয়,আধুনিকমানের গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘরের বহুতল ভবন নির্মান প্রকল্পের কাজ। এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে, এটিই হবে এশিয়ার প্রথম আধুনিক গনহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর।

এ আর্কাইভ ও জাদুঘরে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত নানারকম তথ্য-উপাত্ত। প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ এ জাদুঘর দেখতে আসছেন। উদ্যোক্তরা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়গাথা ও গনহত্যার বিষয় তুলে ধরে, স্বাধীনতার চেতনায় ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ।

বাংলাটিভি/দেশবাংলা

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button