
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। তবে লকডাউনের শুরুর দিনে নিষেধাজ্ঞার কারণে যাত্রীবাহী বাস বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেল সবই চলছে অনিয়ন্ত্রিত ভাবেই। রাস্তাঘাট দোকানপাতে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ফলে রাজধানীর কোনো কোনো জায়গায় স্বাভাবিক সময়ের মতোই ট্রাফিক সামাল দিতে হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের।
মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় রোববার ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে সাত দিনের জন্য সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তবে লকডাউনের প্রথমদিন আজ রাজধানীজুড়ে মানুষের চলাচল ছিলো অনেকটাই স্বাভাবিক। রাস্তায় গণ পরিবহন না চললেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেলে চলাচল করছে মানুষ। এমনকি কিছু সিগন্যালে দেখা গেছে ছোটখাটো যানজটও।
সরকারি নির্দেশনায় জনসমাগম করে বেচা কেনা বন্ধ রাখার কথা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই সবজির দোকান কিম্বা টিসিবির-গাড়ি থেকে পণ্য কিনতে পড়া ভিড় করেন ক্রেতারা।
এই লকডাউনের মধ্যে অনেকে আবার ঢাকা ছাড়ছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। সংক্রমণের উর্ধ্বগতিতেও বাইরে বের হওয়ার জন্য দিচ্ছেন নানা অজুহাত।
তবে,সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সচেষ্ট বলে জানান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে, লক ডাউনে মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড এলাকায় বিক্ষোভ করে বিভিন্ন শপিংমলের দোকান মালিক কর্মচারীরা।
সারা বছর ব্যবসায়ীরা এই সময়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন জানিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলেও দোকান খোলার অনুমতি চান তারা, না হলে বেশির ভাগ দোকান মালিক সর্বস্বান্ত হয়ে যাবেন বলেও জানান তারা।
বাংলাটিভি/শহীদ



