দেশবাংলাঅপরাধআইন-বিচার

ইন্টারনেট আর ফেইসবুকে আসক্তির কারনেই ক্রমাগত বাড়ছে কিশোর অপরাধ

ভারতীয় ক্রাইম পেট্রোল দেখে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, একই বাড়ির কন্যা শিশুকে অপরহণ ও হত্যার পর, নিজের ঘরে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী করে রেখে, মুক্তিপণ দাবি করে বগুড়ার দুই কিশোর। আবার সারাদিন বাড়ির লোকজনের সাথে থেকে, খোজা-খুজির অভিনয়ও করছিল তারা।এরই ফাঁকে দফায় দফায় মুটোফোনে মুক্তিপনের টাকা দাবী করছিলো ঐ কিশোররা। সম্প্রতি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ডের পর, কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে তাদের।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার, নেপালতলী ইউনিয়নের লাঠি মারঘোন গ্রামের শাহিন প্রামানিকের ৪বছরের কন্যা শিশু সানজিদা। সম্প্রতি শিশুটিকে অপহরণ করে, পাশের বাড়ির ১৪ ও ১৫ বছর বয়সী শুভ এবং রিয়াদ। এসময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে ডেকে ঘরে নিয়ে, মুখের ভেতর কাপড় ঢুকিয়ে টেপ মেরে, বস্তাবন্দী করে ড্রামের ভেরত রেখে দেয় তারা। এসময় পরিবারের লোকজন খুঁজে না পেয়ে  পুলিশকে জানায়। পরে শুভকে গ্রেফতার এবং তার দেয়া তথ্যে তার বন্ধু রিয়াদকে গ্রেফতার এবং শুভ’র ঘর থেকে সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দফায় দফায় মোবাইল ফোনের এ্যাপসের মাধ্যমে কন্ঠ পরিবর্তন কোরে সানজিদার বাবার কাছে ফোন কোরে, প্রথমে ৩ লাখ ও দর কষাকষির এক পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপনে, সানজিদাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ তাদের গ্রেফতারের পর, আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ শেষে যশোর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের আগের মত শাসন উঠে যাওয়া এবং এইন্টারনেট ও ফেইসবুকে আসক্তির কারনেই, কিশোর অপরাধ বাড়ছে বলে মনে করেন, সচেতন মহল।

ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button