আজ রাত থেকেই পৃথিবীর চারপাশে ঘুরবে খুদে উপগ্রহ

ব্যাস মোটে ১০ মিটার। এ বার থেকে চাঁদের সঙ্গে গুটি গুটি পায়ে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরবে সেও! চাঁদের সঙ্গী এই খুদে উপগ্রহের নাম ‘পিটি-৫ ২০২৪’। রবিবার রাত থেকেই এই নয়া উপগ্রহ পেতে চলেছে পৃথিবী, জানাল ইসরো।
তবে এর জীবৎকাল মাত্র মাসদেড়েক। মাত্র ৫৩ দিন পৃথিবীর কক্ষপথে থাকার পরেই কর্মজীবনে ইতি টানবে সে। তার পর মহাজগতের বুকে হারিয়ে যাবে ‘পিটি-৫’। যদিও ইসরো জানাচ্ছে, খালি চোখে খুঁজেই পাওয়া যাবে না এই খুদেকে। চাঁদের ব্যাস ৩৪৭৬ কিলোমিটার। সেই তুলনায় ১০ মিটারের পিটি-৫ সাড়ে ৩ লক্ষগুণ ছোট! তাই একে খুঁজে পেতে গেলে লাগবে বিশেষ টেলিস্কোপ। রবিবার রাত দেড়টার পর থেকেই বিশেষ টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখতে পাওয়া যাবে এই নতুন উপগ্রহকে।
যে কোনও গ্রহের চারপাশে প্রদক্ষিণরত গোলাকার মহাজাগতিক বস্তুকে উপগ্রহ বা ‘চাঁদ’ বলা হয়। শনির ১৪৬টি এমন ‘চাঁদ’ রয়েছে, বৃহস্পতির রয়েছে ৯৫টি, আবার শুক্রের কোনও উপগ্রহ নেই। তবে পৃথিবীর কপালে জুটেছে একটিমাত্র উপগ্রহ! এ বার ৫৩ দিনের জন্য হলেও আরও এক সঙ্গী পেল চাঁদ।
তবে পিটি-৫ কিন্তু কোনও কৃত্রিম উপগ্রহ নয়। এটি একটি গ্রহাণু। মহাকাশে ইতস্তত ঘুরতে ঘুরতেই হঠাৎ করে পৃথিবীর কক্ষপথে এসে পড়েছে সে। অগস্ট মাসে প্রথম এর সন্ধান পান বিজ্ঞানী কার্লোস মার্কোস এবং রাউল মার্কোস। যদিও তাঁরা বলছেন, ‘‘এটি খুবই সাধারণ একটি বিষয়। যে কোনও নিয়ার আর্থ অবজেক্ট (এনইও) যদি পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতি ধীর আপেক্ষিক গতি নিয়ে অশ্বক্ষুরাকার কক্ষপথ বরাবর এগোয়, তা হলে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে। সে ক্ষেত্রে পৃথিবীর কক্ষপথে কিছু দিনের জন্য নতুন উপগ্রহ হিসাবে জায়গা করে নিতেই পারে ওই গ্রহাণু।’’ কার্লোস জানাচ্ছেন, এর আগেও ১৯৯৭, ২০১৩ এবং ২০১৮ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে দিনকয়েকের জন্য এমন খুদে উপগ্রহের সংযোজন হয়েছিল।
যে কোনও গ্রহের চারপাশে প্রদক্ষিণরত গোলাকার মহাজাগতিক বস্তুকে উপগ্রহ বা ‘চাঁদ’ বলা হয়। শনির ১৪৬টি এমন ‘চাঁদ’ রয়েছে, বৃহস্পতির রয়েছে ৯৫টি, আবার শুক্রের কোনও উপগ্রহ নেই। তবে পৃথিবীর কপালে জুটেছে একটিমাত্র উপগ্রহ! এ বার ৫৩ দিনের জন্য হলেও আরও এক সঙ্গী পেল চাঁদ।
তবে পিটি-৫ কিন্তু কোনও কৃত্রিম উপগ্রহ নয়। এটি একটি গ্রহাণু। মহাকাশে ইতস্তত ঘুরতে ঘুরতেই হঠাৎ করে পৃথিবীর কক্ষপথে এসে পড়েছে সে। অগস্ট মাসে প্রথম এর সন্ধান পান বিজ্ঞানী কার্লোস মার্কোস এবং রাউল মার্কোস। যদিও তাঁরা বলছেন, ‘‘এটি খুবই সাধারণ একটি বিষয়। যে কোনও নিয়ার আর্থ অবজেক্ট (এনইও) যদি পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতি ধীর আপেক্ষিক গতি নিয়ে অশ্বক্ষুরাকার কক্ষপথ বরাবর এগোয়, তা হলে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে। সে ক্ষেত্রে পৃথিবীর কক্ষপথে কিছু দিনের জন্য নতুন উপগ্রহ হিসাবে জায়গা করে নিতেই পারে ওই গ্রহাণু।’’ কার্লোস জানাচ্ছেন, এর আগেও ১৯৯৭, ২০১৩ এবং ২০১৮ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে দিনকয়েকের জন্য এমন খুদে উপগ্রহের সংযোজন হয়েছিল। আনন্দবাজার



