
রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের ভোগান্তি দিন দিন তীব্র হয়ে উঠেছে। ছোট পাম্পগুলো অধিকাংশই বন্ধ থাকায়, বড় পাম্পে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র দুই লিটার তেল পান, আবার কেউ একাধিকবার এসে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এই পরিস্থিতিতে বাইকারদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি, কারণ তাদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা নেই।
সংকটের পেছনের মূল কারণগুলো হলো সরকারের পেট্রোল ক্রয়ের সীমা আর কিছু ব্যবসায়ীর মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। তেলের জন্য উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ আগেভাগেই বেশি তেল সংগ্রহ করায় লাইনে চাপ আরও বেড়ে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্যাসের লাইনে আসা যানবাহনেও, যেখানে অতিরিক্ত চাপের কারণে যানজট ও সময় ব্যয় বাড়ছে।
পাম্পের কর্মচারীদের মতে, তেল আসছে, কিন্তু ভিড় সামলানো কঠিন। বড় পাম্পগুলোতে একসাথে একাধিক লাইনে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে স্টেশন ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। বাইকারদের জন্য আলাদা লাইন তৈরি করা হলেও, মূল সড়ক সংলগ্ন পাম্পগুলোতে আগামীদিনে আরও বড় যানজট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সারসংক্ষেপে, তেলের সীমিত সরবরাহ, ভোক্তাদের আতঙ্ক এবং কৃত্রিম সংকট মিলিয়ে রাজধানীর পাম্পগুলোতে এক চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরি করেছে।



