বাংলাদেশ

‘দুই বছর আগে গরুর গোশত খাইছিলাম, এরপর কেউ খোঁজ নেয়নি’

বাংলা টিভি ডেস্ক: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বসবাসরত মানুষের ঈদকেন্দ্রিক কষ্ট এবার আরও গভীর হয়ে উঠেছে। প্রায় তিন বছর ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা অনেক পরিবার এবারের কোরবানির ঈদে কোনো ধরনের সহায়তা না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা হাজেরা বেগম বলেন, তাদের মতো দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের জন্য যদি সরকারিভাবে একটি গরুর ব্যবস্থা থাকত, তাহলে সবাই মিলেমিশে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারত। কিন্তু এবার সেই কোনো উদ্যোগ নেই, ফলে ঈদের আনন্দ তাদের কাছে অনেকটাই অনুপস্থিত।

মিয়ারহাট আশ্রয়কেন্দ্র ও কারিমিয়া আশ্রয়কেন্দ্রসহ আশপাশের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রায় সাড়ে ৪০০ পরিবার বসবাস করছে। নদীভাঙন ও টানা বৃষ্টির কারণে তাদের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে একবার এসব আশ্রয়কেন্দ্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছিল, যা তাদের জন্য বড় সহায়তা ছিল। তবে এরপর থেকে এমন উদ্যোগ আর নেওয়া হয়নি।

আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দারা জানান, নিজেদেরই ঠিকমতো খাবার জোটে না, তাই ঈদ উদযাপন বা কোরবানির মতো বিষয় তাদের কাছে এখন বিলাসিতার মতো হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে, তবে এবার কোরবানির জন্য কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button