ঢাকায় কোন হাজীর লাগেজ কাটা হয়নি, সৌদি কর্তৃপক্ষ কাটতে পারে: বিমান

বাংলা টিভি ডেস্ক: সৌদি আরব থেকে হজ শেষে দেশে ফেরা হাজিদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, তদন্তে এমন ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বিমান কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ফেসবুক পোস্টে প্রায় ১৫০ জন হাজির লাগেজ কেটে মালামাল নেওয়ার অভিযোগ করা হলেও তাদের তদন্তে এমন তথ্যের সত্যতা মেলেনি। সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটে ৪১৯ জন যাত্রী ও ৮৩৬টি লাগেজ ছিল। এর মধ্যে মাত্র কয়েকজন যাত্রী তাদের লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়ার কথা মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন।
বিমানের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত লাগেজগুলোর বেশিরভাগেই জমজমের পানি, খেজুর কিংবা তরল প্রসাধনী ছিল। সৌদি আরবের বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি বা অননুমোদিত তরল পদার্থ বহন নিষিদ্ধ। স্ক্যানিংয়ে এসব পাওয়া গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা লাগেজ খুলে বা কেটে সেগুলো জব্দ করতে পারেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফ্লাইট থেকে নামানোর সময় প্রায় ২১টি লাগেজ আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে যাত্রীদের কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র হারানোর সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। একজন যাত্রী মানিব্যাগ হারানোর কথা বললেও তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেননি।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী নগদ অর্থ, মানিব্যাগ বা মূল্যবান সামগ্রী বুকিং লাগেজে রাখা নিষিদ্ধ। পাশাপাশি কোনো ধরনের লিখিত অভিযোগ ছাড়া ব্যাপক চুরির দাবি যাচাই করা সম্ভব নয় বলেও তারা উল্লেখ করেছে।



