
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির সনদ ছাড়েই, নানা লোভনীয় অফারে একযুগ ধরে নিয়মবহির্ভূত চলছে,জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের কয়েকটি শাখা। প্রতিদিন, সাপ্তাহিক, মাসিক কিস্তিসহ চড়া সুদে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকার এফডিআর, ডিপিএস ও সঞ্চয়। এত প্রতারিত হয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেক ভূক্তভোগী।
বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশন ১২ বছর আগে নওগাঁ থেকে শুরু হয়ে, বর্তমানে ৩৯টি শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলার সীমানা পেড়িয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর, গোপিনাথপুর, রায়কালী, চন্দনদিঘী, জিয়াপুরসহ, কয়েকটি শাখা খুলে সহজ সরল দরিদ্র ও নানা শ্রেণীর পেশার মানুষের মাঝে লোভনীয় অফার দিয়ে, সুকৌশলে লাখ লাখ টাকার এফডিআর, ডিপিএস সঞ্চয় নিচ্ছে। তাদের গচ্ছিত আমানত, সঞ্চয় ফেরত ও ঋণ নিতে গেলে; হতে হচ্ছে নানা হয়রানির শিকার।
যেখানে রাষ্ট্রীয় তফসিলভূক্ত ব্যাংক ও সংস্থাগুলো আমানত, সঞ্চয়ের মুনাফা দিচ্ছে প্রতি লাখে ৮শ ৭৪ টাকা। সেখানে ওই এনজিও, লাখে ২ হাজারের উর্দ্ধে মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা এফডিআর। ভক্সপপ-১ঃ ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
ক্ষুদ্রঋণ, এফডিআর এ অতিরিক্ত মুনাফা দেয়ার কথা সংশ্লিষ্ট শাখা কর্মকর্তারা স্বীকার করলেও, জোনাল ম্যানেজার এফডিআর অস্বীকার কোরে জানান,জয়েন্ট স্টকের সনদ দিয়েই চালানো যাবে।
এমআর এর সনদ ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ চালানোর বিধান নেই বলে জানায় জেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির সাধারন সম্পাদক, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।জানায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির সনদ না নিয়ে, ক্ষুদ্রঋণ চালানো বেআইনি, জানালেন জয়েন্ট স্টক কর্মকর্তা। বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের ৩৯টি শাখা নিয়ম বহিভূতভাবে শাখা গড়ে ওঠার পেছনে, সংশ্লিষ্টদের দায়ি করেছেন ভুক্তভোগিরা।
বাংলাটিভি/দেশবাংলা



