দেশবাংলা

জনবল সংকটে হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

|| এসরাফাত হোসেন বাঁধন ||

নামেই মাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসকসহ লোকবল, চিকিৎসা সেবা ঔষধ সংকটরে সাথে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলছনে, জনবল সংকট সহ রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত না হওয়ার কারণে ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির চিকিৎসা সেবা। ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আশা রোগী আশরাফুল ইসলাম জানান, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভা ঘোষণার ২৯ বছর পার হলেও হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। হারাগাছ পৌরসভার ৭৫ হাজার লোকের একমাত্র ভরসা স্থল হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১৯৯৬ সালে ৩১ শয্যায় উন্নীত কওে চালুকরা হলেও ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও বৃদ্ধি করা হয় নি জনবল, চিকিৎসক,হাসপাতাল সহকারী, সেবিকা সহ বর্তমানে ৫৩জন থাকার কথা থাকলেও রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত না হওয়ার কারণে শুধুমাত্র একজন চিকিৎসক আর সীমিত জনবল দিয়ে রোগীদের নাম মাত্র সেবা দিচ্ছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এমনকি এখন পর্যন্ত চালু হয়নি প্যাথলজি বিভাগ,অপারেশন থিয়েটার, সার্জিকাল বিভাগ,সিজার-ইন সেকশন বিভাগ আর পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামনা থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হারাগাছ পৌরসভার দরিদ্র সীমার নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

জানাযায় হাসপাতাল থেকে সামান্য চিকিৎসা দেওয়া হয় আর বাকী সব চিকিৎসার জন্য বাইরে ভরসা করতে হয়। গরীব মানুষেরা বড় আশা নিয়ে আসে যে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো পাওয়া যাবে কিন্তু মোটেই এখানে কোন চিকিৎসা নেই। আবার ডাক্তাররা চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়। রহিমা বেগম বলেন-এখানে তো কোন চিকিৎসা নেই,দুইটা একটাঔষধ দেয় বাকী গুলো কিনতে হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: সামছু জামান বলেছে-জনবল সংকটসহ সেবা প্রদানকারী পদগুলো -রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত না হওয়ার কারণে আমাদের চিকিৎসা সেবাপ্রদান করতে অসুবিধা হচ্ছে। যদি কর্তৃপক্ষ এখানকার পোষ্ট গুলো রাজস্বখাতে স্থান্তারিত করা হয় তাহলে এখনকার দারিদ্র পরিবার ও নিম্ম আয়ের মানুষেরা চিকিৎসা সেবা পাবেন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা: জাকিরুল ইসলাম বলেন- একসময় ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কোন প্রকার চিকিৎসক ছিলোনা। আমরা অনেক লেখা লেখি করার পর থেকে ২৫টি পোষ্ট শুধু রেভিনিউ খাতে যায় আর বাকীগুলো এখনও উন্নয়নখ্যাতে রয়েছে। এই হাসপাতালে কোন প্রকার সেবিকা ছিলোনা,আমরা লেখালেখি করার পর সেখানে সেবিকা দেওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট্য হাসপাতালের অবকাঠামোর ন্যায় উন্নয়ন করা হবে। এখানে বহি:বিভাগে রোগীর সংখ্যা সবচাইতে বেশি,তাই যত দ্রুত সমস্যা সমাধান কওে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাটিভি/মাসুদসুমন

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close