আন্তর্জাতিকএশিয়া

কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিবাদ; পুতিন ও আবে’র বৈঠক

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দ্বন্দ্ব নিরসনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজে আবে বৈঠকে মিলিত হবেন। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) মস্কোতে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। খবর আল-জাজিরার।
জাপানের মূল ভূখণ্ড হোক্কাইডো দ্বীপ থেকে ১০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান। অপরদিকে দক্ষিণে রয়েছে রাশিয়ার কামাচাকতা উপকূল।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশান্ত মহাসগারের এই অংশের ৪টি দ্বীপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পরাজিত জাপানের কাছ থেকে দখল করে নেয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন যা পরবর্তীতে রাশিয়ার অংশ হয়ে যায়। দ্বীপগুলো হল,কুনাশির,ইতোরুপ,শিকতন ও রকি হাম্বনি।

১৯৫৬ সালে দখল হওয়া চারটি দ্বীপের দুটি ফিরিয়ে দিতে চায় সোভিয়েত সরকার। তবে জাপান নিজেদের পুরো অংশ ফিরে পাওয়ার দাবি জানায়। এ কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আজও রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে কোন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।

দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে জন্য ২০১৩ সাল থেকে উভয় দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা মোট পঁচিশবার সাক্ষাৎ করেছেন। তবে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের দাবি ছাড়তে রাজি হয়নি কেউই। গত বছরের নভেম্বরে পুতিন ও আবে সম্মত হন পারস্পরিক বিবাদ মিটিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করার। তবে তাদের আসন্ন বৈঠকে তাদের মধ্যে কোন মীমাংসা হবে কিনা তা এখনো অনিশ্চিত। গত সপ্তাহে ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানান, সব ধরনের আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
মস্কোর উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে শিনজে আবে বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা গত ৭০ বছর ধরেই ‘চ্যালেঞ্জ’। পুতিন খোলামেলা কথা বলবেন সেই আশা তার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তারা এই উদ্যোগ নিতে চান।

এদিকে, দখল করে নেওয়া দ্বীপগুলো যাতে জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া না হয় সেজন্য মস্কোতে বিক্ষোভ করেছেন কিছু মানুষ। তাদের মতে ওসব দ্বীপ ফিরিয়ে দিলে ইতিহাস নতুন করে লিখতে হবে।
বাংলাটিভি/পাইক

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close