
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অস্ত্র বহন করায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করেছে অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (অ্যাভসেক)। রোববার সকালে তাকে ৪২ রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম এবিএম মাজহারুল আনাম। তিনি দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে জানা গেছে।
রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে তাকে আটক করে বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) সদস্যরা। পরে মাজহারুল আনামকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার কাছ থেকে রাইফেলের ৩৪ ও পিস্তলের ১০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়েছে।
এভসেক পরিচালক নূর আলম সিদ্দিকী রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে মাজহারুল আনামের চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা। এজন্য তিনি সকাল পৌনে ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আসেন।
তিনি জানান, ঘোষণা না দিয়েই মাজহারুল আনাম উক্ত পরিমাণ গুলি নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন। পরে স্ক্যানিংয়ে সেগুলো ধরা পড়ার পর তাকে আটক করা হয়।
মাজহারুল আনাম সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ছাড়াও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে গত ২২ মার্চ সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘোষণা ছাড়াই আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি নিয়ে প্রবেশ করায় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সৈনিক লীগ নেতা সরদার মুজিবকে আটক করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৫ রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তল জব্দ করা হয়।
সম্প্রতি বিমানের দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে এক যাত্রী অস্ত্র নিয়ে উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। পরে কমান্ডো অভিযানে তার মৃত্যু হয়। যদিও সেটি প্লাস্টিকের তৈরি খেলনা পিস্তল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনার পর বিমানবন্দরে অস্ত্র নিয়ে যেতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। এছাড়া সম্প্রতি দুজন আওয়ামী লীগ নেতাও অস্ত্রসহ বিমানে উঠতে গিয়ে ধরা পড়েন।
বাংলাটিভি/প্রিন্স



