রংপুরের পল্লীনিবাসে এরশাদের দাফন সম্পন্ন

দলীয় নেতাকর্মী পরিবার পরিজন লাখো অনুসারীর বেদনাশ্রু আর ভালবাসায় চির নিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। নিজ শহর রংপুরে চতুর্থ জানাজা শেষে সন্ধ্যায় নিজের সৃতি বিজড়িত পল্লীনিবাসেই সমাহিত করা হয় এক সময়ের দাপুটে এই শাসককে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে জড়ো হয়েছিল লাখো মানুষ। তাদের দাবির মুখে শেষ পর্যন্ত নিজ জেলায়ই সমাহিত করা হলো এরশাদকে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে নিয়ে যাওয়া হয় তার নিজ জেলা রংপুরে। বেলা সোয়া ১২ টার দিকে লাশ রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছায়। এরপর তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে।
প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই জানাজা মাঠে উপস্থিত হতে থাকেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনসাধারনের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাদ জোহর সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় এরশাদের চতুর্থ জানাযা।
এরপর বিকেল ৫ টা নাগাদ মরদেহ নিয়ে যাওয়ায় হয় তার সৃতি বিজড়িত পল্লী নিবাসে। সেখানেই লিচু বাগানের নিচেই চির নিদ্রায় শায়িত করা হয় এক সময় দাপুটে এই রাষ্ট্রনায়ককে।
গত ১৪ জুলাই ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন এরশাদ। তাকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করার সিদ্ধান্ত হলেও শেষাবধি জনতার দাবির মুখে তাকে রংপুরেই সমাহিত করা হলো। যে বাড়িটিতে বার বার গেছেন তিনি, নিয়েছেন আশ্রয়, সেই পল্লীনিবাসই হলো এরশাদের শেষ ঠিকানা।
বাংলাটিভি/ আসাদ রিয়েল



