
রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে কোনোভাবেই শৃঙ্খলায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। সড়কে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধে করে, দেয়া হয়েছে নির্দিষ্ট লাইন পাশাপাশি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে বাস স্টপেজ । এরপরও থামানো যাচ্ছে না বেপরোয়া ড্রাইভিং।
গোটা শহরটাই যেন বাস স্টপেজ। যেখানে-সেখানে গাড়ি ইচ্ছামত থামছে, যাত্রীরাও উঠছেন খেয়ালখুশিমতো। আবার যাত্রীছাউনি থাকলেও তা উপেক্ষা করেই দাঁড়িয়ে আছেন যাত্রীরা। ট্রাফিক পুলিশ বলছেন, সচেতনতার অভাব। অন্যদিকে আইনঅমান্যকারী বাস কোম্পানি, মালিক ও বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে হেলপাররা বলেন, যাত্রীরা রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে থাকেন। এখান থেকেই তাদের গাড়িতে তুলতে হয়।
ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন, যাতে যাত্রীরা সুবিধা পান সেজন্য প্লাস্টিক কন দিয়ে লেন করে দেয়া হয়েছে।
ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বাসগুলো ফুটপাত ঘেঁসে দাঁড়াবে। সিএনজি ও অটোরিকশা এরমধ্যে থাকবে না।
তবে সুফল পেতে বাস মালিকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার তাগিদ দিলেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি শৃঙ্খলা ফেরাতে বে পদ্ধতি চালু করেছে ট্রাফিক বিভাগ। তবে দেড় শতাধিক সিটি বাস স্টপেজ হলেও বে করা হয়েছে অল্প কয়েকটি ট্রানজেকশনে। সমন্বিত বাস্তবায়নে সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে ট্রাফিক বিভাগ।
বাংলাটিভি/ সৌরভ নূর



