
এস এইচ হেমায়েত, মক্কা : ভাগ্য পর্বিতনের আশায় ১৯৯২ সালে মরভূমির দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমান চট্টগ্রামের হাজী আব্দুল গফুর। দেশটিতে গিয়ে সাধারণ কর্মী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও, বর্তমানে সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন এই বাংলাদেশি। দায়িত্ব পালন করছেন নিজের হাতে গড়ে তোলা, আল বারাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবেও। কোম্পানিটিতে কর্মরত রয়েছেন ৫০ জন বাংলাদেশী শ্রমিক। বর্তমানে হয়ে উঠেছেন একজন সফল ব্যবসায়ী।
আরেকটু ভালো থাকার আশায় দেশের গুন্ডি পেরিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমান বাংলাদেশের হাজারো মায়ের সন্তান এরমধ্যে সফলতার গল্প লেখেন খুব কম সংখ্যক প্রবাসী। এর পিছনে নানারকম ব্যর্থতার গল্প থাকলেও সেই ব্যর্থতাকে জয় করে বাংলার সূর্য সন্তানরা ছিনিয়ে আনেন একেকটি সাফল্যর মুখ।
সেরকমই একজন হলেন মক্কা প্রবাসী সফল ব্যবসায়ী আল বারাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল গফুর, তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামে’র লোহা গড়া থানার বড় হাতিয়া ভবানীপুর মরহুম মোস্তাফিজুর রহমানে’র ছেলে। তাঁর এই দোকান রয়েছে হারামের সাথে সারিকা মক্কা, হিলটন হোটেলের দুই নাম্বার ফ্লোরে।
তারঁ এই বোরকার দোকানে ৫০ জন বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করেন, তাঁর এই বোরকার দোকানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের বোরকা যেমন বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, মালোশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, এবং কি তুর্কি। এছাড়া এই বোরকার দোকানে রয়েছে নানা ধরনের জিনিসপত্র। যেমন পারফিউম, হাত ঘড়ি, বাচ্চাদের চেন এছাড়া রয়েছে ছোট ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন আইটেম। ভাইজান যেভাবে ভালো হয় আপনি সুন্দর করে প্রতিবেদনটি সাক্ষাৎকারসহ দুই থেকে আড়াই মিনিট বানিয়ে দিবেন।
সৌদি আরবে যান ১৯৯২ সালে। এর আগে ৮ বছর বিভিন্ন পেশার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি।
বাংলাটিভি/ সৌরভ নূর



