দেশবাংলা

ব্যক্তিগত উপার্জনে প্রায় ১ হাজার অনাথকে শিক্ষার সুজোগ

আল মামুন, নীলফামারী : ব্যক্তিগত উপার্জনে প্রায় ১ হাজার অনাথ মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চওড়াডাঙ্গী গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ এক শিক্ষানুরাগী। অনাথ মেয়েদের জন্য ‘চাঁদমনি’ নামে বালিকা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করে ভরণপোষণ, পড়ালেখা এমনকি বিয়ের খরচও বহন করেন তিনি।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চওড়াডাঙ্গী গ্রামের নি:সন্তান পিজিরুল আলম দুলাল ১৯৯৯ সালে গড়ে তোলেন ”চাঁদমনি” নামে বালিকা আশ্রয় কেন্দ্র। এখানে আশ্রিত প্রায় ১ হাজার অনাথ মেয়ে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বিএ, এমএ পাশ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেক মেয়েকে নিজের খরচে বিয়েও দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে আশ্রিত পঞ্চাশ জন মেয়ের লেখাপড়া চলছে। পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে সেলাই এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। আশ্রিতরা পিজিরুলকে মামা বলে ডাকে। ঠিক যেন মামা বাড়ীর আবদারের মতই আদর স্নেহে। পিজিরুলও সারাজীবনের সঞ্চিত উপার্জন দিয়েই চালাচ্ছেন এ চাঁদমনি কেন্দ্র আগলে রাখছেন এই অসহায় মেয়েদের।

অনাথ মেয়েদের সুশিক্ষায় গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য বলে জানান, ‘চাঁদমনি‘ প্রতিষ্ঠাতা পিজিরুল আলম দুলাল। তিনি বলেন, দারিদ্রতার কষাঘাতে চরম দু:সময়ে অনাথ মেয়েরা এখানে ঠাঁই পেয়ে খুশি হয় আর সেই খুশিতে আমি সার্থকতা খুঁজে পায়।

চাঁদমনি আশ্রয় কেন্দ্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মহতি এ উদ্যোকে সাধুবাদ জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:সুজাউদ্দৌলা।

সরকার ও বিত্তবানদের সহায়তা পেলে চাঁদমনি কেন্দ্রটি আরো বড় পরিসরে পরিচালিত করে এলাকার গরিব ও অসহায়দের লেখাপড়াসহ জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করেন মামা পিজিরুল।

বাংলাটিভি/ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close