দেশবাংলা

সুদিন ফেরাতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চায় আখ চাষিরা

জুয়েল সাহা ও মাজহারুল ইসলাম : কোন প্রকার রোগ ও পোকার আক্রমন না থাকায় ভোলায় এ বছর আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। হাসি ফুটেছে চাষীদের মুখে, অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছেন তারা। কিন্তু মধ্যসত্তভোগী ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ চাষিদের। এদিকে আখ চাষে স্বাবলম্বী কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কৃষকরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে, দেশের বিভিন্নস্থানে সরবরাহ হচ্ছে এ উপজেলার আখ। তবে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ফলন ভাল হলেও মধ্যসত্তভোগী ও সিন্ডিকেটের কারনে পাইকারী বাজারে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এছাড়া পুঁজি স্বল্পতা, উন্নত প্রযুক্তির অভাবে চাষকাজ সমৃদ্ধ হচ্ছেনা।

অন্যদিকে খুচরা বাজারে চড়াদামে আখ বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। আবার খুচরা বিক্রেতারা জানায়, আড়ৎ থেকে অধিক দামে আখ ক্রয় করায় বেশি দামে খুচরা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। ভোলার বাজারে কোন সিন্ডিকেট নেই তবে ক্রেতার সংখ্যা কম হওয়ায় আখের বাজার কম বলে জানান আড়াৎদাররা।

কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকি থাকায় এ বছর আখের অধিক সফল হয়েছে। পাশাপাশি সঠিক মূল্য পেতে কৃষি বিভাগ কৃষকদের আখ বিক্রির নানা পরামর্শ দিচ্ছে বলেও জানান ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ কৃষি কর্মকর্তা উপ-পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ দেবনাথ।

অন্যদিকে নদী ভাঙ্গন কবলিত কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার মানুষ আখ চাষ করে সচ্ছল জীবন যাপন করছে। এক বিঘা জমিতে আখ চাষে খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। আর কোনো সমস্যা না হলে বিক্রি হয় এক থেকে দেড় লাখ টাকায়। তবে এবারের বেশ ক্ষতি হয়েছে এলাকার আখ চাষিরা।

চাষীরা জানান, বন্যা পরবর্তী সময়ে চাষের আসল টাকা ওঠানো সম্বব হয়নি। পাশাপাশি জেলা কৃষি অফিস থেকে কোন সহায়তাও পাওয়া যায়নি। এখন এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারী সহায়তা চান চাষীরা।

রৌমারী উপজেলায় আখ চাষীদের কোনো বরাদ্দ আসেনা। তবে চাষীদের সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন উপজেলা কৃষী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন। তিনি বলেন, যদিও এটা চিনি সম্প্রসারন অধিদপ্তর তাদের আন্ডারে। তারপরও একটা তালিকা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এবছর ১২৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করেছেন রৌমারীর কৃষকরা।

বাংলাটিভি/ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button