
আমিনুল হক : কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা শিবিরে সক্রিয় রয়েছে রোহিঙ্গাদের পরিচালনাধীন কমপক্ষে ১০টি অনলাইন টিভি চ্যানেল। দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এ চ্যানেলগুলো। মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সম্প্রচারিত এসব চ্যানেল প্রত্যাবাসন বিরোধী জনমত তৈরী করতে ভুমিকা রাখছে বলে অভিমত স্থানীয়দের। ফলে রোহিঙ্গা শিবিরে চ্যানেলগুলো সম্প্রচার বন্ধ করা জরুরী বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা দেশি বিদেশী এনজিওর সহায়তায় খুব দ্রুতই নিজেদের সংগঠিত করতে থাকে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আইন কানুনের বাধ্য-বাধ্কতা না থাকায় সহজে আয়ত্ব করে নেয় ইন্টারনেট সুবিধাসহ মোবাইলফোন।
আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে সম্প্রচার করা অনলা্ইন চ্যানেলের বিভ্রান্তিকর সংবাদে প্রত্যাবাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী জনমত তৈরিতে ভুমিকা রাখছে। রোহিঙ্গা ভাষায় প্রায় ১০টি চ্যানেল অনলাইন দুনিয়ায় সক্রিয় রয়েছে। এরমধ্যে রোহিঙ্গা টিভি, রোহিঙ্গা পিস টিভি, রোহিঙ্গা নিউজ, আরকান টিভি, আরকান আর ভিশন, আরকান নুরসহ কিছু ইউটিউভ চ্যানেল।
এধরনের সাইবার ক্রাইম বন্ধ না হলে দেশের জন্য হুমকিস্বরুপ অভিমত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি কানন পাল বলেন, প্রত্যাবাসন বিরোধী অনলাইন টিভি এ্যাক্টিভিটি ব্লকের পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে এবং সমাবেশে যারা ভূমিকা রেখেছে তাদের সব অনলাইন এ্যাক্টিভিটি বন্ধের পরার্মশও এই বিশিষ্ট ব্যাক্তির।
এদিকে অনলাইনভিত্তিক স্যোশাল এ্যাক্টিভিটি বন্ধে পুলিশ সক্রিয় বলে দাবি করেছেন, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন। এছাড়া বিটিআরসিও এ নিয়ে কাজ করছে বলে জানান, জেলা প্রশাসক-মোঃ কামাল হোসেন।
এসব অনলাইন টিভি চ্যানেল ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা না গেলে রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে সৃষ্টি হতে পারে হবে নতুন সংকটের। তাই এ সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী স্থানীয়দের।
বাংলাটিভি/ নূর



