দেশবাংলা

৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

ইমাম হোসেন, পিরোজপুর : কাউখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি গত ৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এতে উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা ব্যহত হচ্ছে। কাগজে-কলমে ৯টি চিকিৎসকের পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৩ জন। ভবনের দেয়াল ধসে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। অন্যদিকে অবকাঠামো উন্নয়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় প্রায় ১ লাখ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে রয়েছে ৩১ শয্যার একটি মাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সেখানে কাগজে-কলমে ৯ টি চিকিৎসকের পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৩ জন। এছাড়া ৮ বছর ধরে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। দেয়াল ধ্বসে ঘঠছে নানা দূর্ঘটনা। ৩১ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা প্রায় ২শ রোগীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। তাই ভালো চিকিৎসা পেতে অধিক খরচে পিরোজপুর, বরিশাল, খুলনা ও ঢাকায় যেতে হয় রোগীদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জরাজীর্ণ কমপ্লেক্সটির বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একাধিকবার বরাদ্দ আসলেও আজো নির্মাণ হয়নি নতুন ভবন বা অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন। এছাড়া ৩১ শয্যার এই কমপ্লেক্সে গড়ে প্রতিদিন ২০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় আমরা ভালো চিকিৎসার আশায় পিরোজপুর সদর, বরিশাল কিংবা খুলনা কখনো ঢাকায়ও যেতে হয় আমাদের।

এদিকে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ফারুক আলম জানান, কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাশ হয়েছিলো এবং তার কাজ চলাকালীন অজ্ঞাত একটি সমস্যার কারণে ঠিকাদার ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ করে চলে যায়। এবছর অবকাঠামো আরো উন্নয়ন করতে প্রায় ১৯ কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি যা দ্রুত কার্যকর হবে বলে আসা করছি।

চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে কাউখালী বাসীর দাবী ১ লাখ মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করাসহ সার্বিক উন্নয়নের।

বাংলাটিভি/ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button