
আসাদ রিয়েল : দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে চাহিদামত বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায়, বিদেশী পর্যটক না আসার প্রধান কারণ বলে মনে করছেন এ খাতের সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া বাংলাদেশের ভিসা জটিলতা ও হোটেল ভাড়া বেশি হওয়াটাও এর অন্যতম আরেকটি কারণ বলে মনে করছে তারা।
তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিজেদের সংস্কৃতি ঠিক রেখে বিদেশী পর্যটকদের জন্য আলাদা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
২০১৭ সালে কেবলমাত্র পর্যটক ভিসায় প্রতিবেশী দেশ ভারতে গেছেন ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৭ বাংলাদেশী। যা ওই বছরে ভারতের শীর্ষ পর্যটকের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অথচ বিদেশী পর্যটক টানার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ১০ লাখের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ করতে পারছে না।
কেনো বিদেশী পর্যটক এ দেশে আসছে না? এমন প্রশ্নে বাংলাদেশের এসোসিয়েশন অব ট্র্যাভেল এজেন্সি’র সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ মাহবুব বলেন, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকা এবং অতিরিক্ত হোটেল ভাড়া এর প্রধান কারণ।
এ ছাড়া ভিসা জটিলতার কারণেও অনেক পর্যটক বাংলাদেশে আসতে পারেন না বলেও, জানান ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ।
এদিকে আশার কথা, ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশে পর্যটকের হার বাড়বে বলে দাবী করেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। এ ছাড়া, বিদেশীদের ক্ষেত্রে ভিসা জটিলতা দূর করতেও উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান তিনি।
২০২১ সালের মধ্যে এই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে, দেশের পর্যটনের চিত্র পাল্টে যাবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম রিসোর্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদ ।
বাংলাটিভি/ নূর



