অন্যান্যবাংলাদেশ

‘ঘরেই চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৮০ ভাগ মানুষ ঘরে থেকে স্বাভাবিক নিয়ম-কানুন মেনে চললেই সুস্থ হয়ে যায়। কাজেই করোনা আক্রান্ত হলেও আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার নির্দেশনা মেনে চলতে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। সম্প্রতি অনেক করোনা রোগী শুধুমাত্র ঘরে থেকে বিশেষজ্ঞদের পরামর্ম ও স্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

চারিদিকে এখন আতঙ্ক করোনার। তাই প্রথমেই জেনে রাখা উচিত এর লক্ষণগুলো। রোগটি খুবই সংক্রামক হওয়ায় সন্দেহভাজন রোগীকে প্রাথমিকভাবে ঘরেই থাকতে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার প্রতিষেধক না থাকায় এর প্রতিরোধে সচেতন হওয়াই এখন পর্যন্ত কার্যকর উপায়।

এ জন্য ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুওয়া, অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা, আক্রান্ত হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলা, অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা এবং মাছ-মাংস ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।

এছাড়া যতটা সম্ভব ঘরে থাকতে হবে, প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়া ও এড়িয়ে চলতে হবে জনসমাগম। চিকিৎসকরা বলছেন, অধিকাংশের ক্ষেত্রে পাঁচ কিংবা ছয় দিনের মাথায়ই করোনা রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। শরীরে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ কিংবা কিডনিজনিত সমস্যা থাকলেই কেবল মারাত্মক দিকে যায় রোগটি।

সম্প্রতি কেবল ঘরেই চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এমন বেশকিছু উদাহারণ উঠে এসেছে আমাদের সামনে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই বাংলাদেশি নারী সুস্থ হওয়ার পর একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ হৃদয়ও ফেসবুকে জানিয়েছেন, করোনা থেকে তার মুক্ত হওয়ার গল্প। হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মোর্শেদ বলেন, বেশিরভাগ রোগী চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়। মাত্র ১০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাগতে পারে। তাই করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক নয়, জরুরি সতর্কতা। সচেতনতার মাধ্যমেই এর প্রতিরোধ সম্ভব।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close