আন্তর্জাতিক

জীবাণুনাশক স্প্রে’তে করোনাভাইরাস মরে না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই রাস্তাঘাটে স্প্রে করা হচ্ছে বা ছিটানো হচ্ছে জীবাণুনাশক। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া নতুন তথ্যে অনুযায়ী জীবাণুনাশক খোলা জায়গায় ছিটালে, ভাইরাস মরে না, বরং এসব রাসায়নিক মানুষসহ যেকোনো প্রাণীর জন্য হুমকি।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, খোলা জায়গা, বাজার কিংবা রাস্তায় জীবাণুনাশক ছিটালে তাতে করোনাভাইরাসের কিছু হয় না। কারণ, ধুলা ও ইট-পাথরে জীবাণুনাশকের উপাদানগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। সংস্থাটি আরো জানায়, কোনো ব্যক্তির ওপর কখনোই জীবাণুনাশক প্রয়োগ করা উচিত নয়।

বিশেষ করে ক্লোরিন ও অন্যান্য টক্সিক রাসায়নিক উপাদান মানুষের চোখ ও ত্বকে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানায় তারা। অন্যদিকে, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে একাধিক দেশ ও সংস্থা। সম্ভাব্য এসব ভ্যাকসিনের ওপরও নজর রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এদিকে, বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪ হাজার ২৬০ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো করোনাভাইরাস। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা এখন তিন লাখ ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। মোট আক্রান্ত ৪৭ লাখের বেশি মানুষ। সর্বাধিক মৃত্যু দেখা যুক্তরাষ্ট্রে, শনিবার মৃতের সংখ্যা নেমে আসে দেড় হাজরের নীচে। দেশটিতে মোট প্রাণহানি ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৫ লাখের বেশি মানুষ।

এর মধ্যে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া নিউইয়র্কে ২২ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্ত ৪ লাখ ছুঁই ছুঁই। নিউজার্সিতে আক্রান্ত হয়েছেন দেড় লাখেরও বেশি। আর প্রাণহানি হয়েছে ১০ হাজার জনের। একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানি হয়েছে ব্রাজিলে। আট শতাধিক মৃত্যুতে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ১৫ হাজার ৬শ’। আক্রান্ত দু’লাখ ৩৩ হাজারের বেশি।

এদিন, করোনায় ১১৯ জনের প্রাণ গেছে রাশিয়ায়। পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে ইউরোপের দেশগুলোতে। আড়াই মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু ইতালিতে, মারা গেছেন দেড়শো জন। মহামারি শুরুর পর প্রথমবার, কোভিড নাইনটিনে নতুন করে একজনও আক্রান্ত হয়নি ফ্রান্সে, মারা গেছেন ৯৬ জন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close