রাজনীতিআওয়ামী লীগ

মিথ্যাচার-ষড়যন্ত্রের রাজনীতির জন্য বিএনপির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সংঘাত করার ইচ্ছে নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মসূচি কি কোনো প্রকার সংঘর্ষ বা সংঘাত সৃষ্টি করছে? আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংঘাতে জড়িয়েছে এমন কোনো চিত্র তারা দেখাতে পারবে না। বিএনপির কর্মসূচি মানেই গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন সন্ত্রাস করা। তাই ক্ষমতাসীন দল হিসেবে জনগণের জানমাল রক্ষায় কর্মসূচি দিয়ে মাঠে আছি। যাতে তারা (বিএনপি) কোনো নাশকতা করতে না পারে। এজন্য আওয়ামী লীগ সতর্ক অবস্থানে থাকে। বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সংঘাত করার ইচ্ছে নেই।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) বোর্ড সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির শাসনামলে দেশে জঙ্গিবাদের সৃষ্টি হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির আমলে এদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের সৃষ্টি। এখন এরা চুপচাপ থাকলেও গোপনে বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় বড় ধরনের নাশকতা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মিথ্যায় যদি নোবেল প্রাইজ থাকতো তাহলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম পেতেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ডোনাল্ড লুর বক্তব্য নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি। কোনো দেশের রাষ্ট্র বা দলকে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কোন বিধান কারও নেই। মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের জন্য বিএনপিকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত, আওয়ামী লীগকে নয়।

বিএনপির কর্মসূচির দিন আওয়ামী লীগও কর্মসূচি দেয় কেন- প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মসূচির কি বিএনপির সঙ্গে সংঘাত ঘটেছে? আওয়ামী লীগ তার কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে সংঘাতে গিয়েছে, এমন একটা ঘটনাও নেই। মির্জা ফখরুলও এমন একটা উদাহরণ দিতে পারবেন না।

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা কর্মসূচি পালন করতে আগুন সন্ত্রাস, পুলিশের ওপর হামলা, বাস পোড়ানো, নাশকতা করেন। আমরা যেহেতু ক্ষমতায় আছি, জনগণের জানমালের অধিকার রক্ষা করা আমাদের ওয়াদা, দায়িত্ব, কর্তব্য।

আওয়ামী লীগ রাস্তা দখল করে কর্মসূচি করে না দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি সমাবেশ করলে কতগুলো রাস্তা বন্ধ থাকে। আওয়ামী লীগের শ্যামলীর সমাবেশে একপাশ বন্ধ ছিল, কিন্তু অন্যপাশখোলা ছিল। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে পাশের দুই রাস্তা খোলা থাকে,কোনো সমস্যা হয় না।

এর আগে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভায় পদ্মা সেতুসহ সকল সেতুতে একমাত্র রাষ্ট্রপতিকে টোল অব্যাহতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button