লেবাননেও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাল যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়া

যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেছেন, লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক হামলা রোধ করতে এই সমঝোতা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচল অবশ্যই টোলমুক্ত হতে হবে এবং ইরানের ট্রানজিট ফি আদায়ের প্রচেষ্টা এ বিষয়ে বাধা হতে পারবে না।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজও একই মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, লেবাননের জন্যও যুদ্ধবিরতি প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও এখনও “ভঙ্গুর শান্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অ্যালবানিজ আশা প্রকাশ করেছেন, এই স্বল্পমেয়াদী বিরতি শেষ পর্যন্ত স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পরিণত হবে।
দুই দেশের নেতারা উল্লেখ করেছেন, লেবাননে সহিংসতা শুধু স্থানীয় নয়, বরং আন্তর্জাতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে বৈরুত এবং লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। পশ্চিমা দেশগুলো হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং লেবাননের সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে একমত হয়েছে।
১০ এপ্রিলের শান্তি আলোচনার আগে এই অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর লেবানন ইস্যুটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার চাপ বাড়াবে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



