প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত মোদির: অভিজিৎ দীপকে

বাংলা টিভি ডেস্ক: ভারতের লোকসভায় সম্প্রতি পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক বলেছেন, কেবল নতুন আইন প্রণয়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; এর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তরুণদের উদ্দেশে ভিডিওবার্তার সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে দায়িত্ব ছেড়ে পূর্ণকালীন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেই কাজ করতে পারেন। এর আগে কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মন্তব্য করেছিলেন, শুধু ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল বদলে তরুণদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়।
অভিজিৎ আরও অভিযোগ করেন, প্রশ্নফাঁস মামলার জন্য ঘোষিত ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টের প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। তার ভাষ্য, বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর সদিচ্ছা না থাকলে কঠোর আইনও কার্যকর ফল বয়ে আনতে পারে না।
তিনি দাবি করেন, গত ২০ জুলাই নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সিজেপির পদযাত্রার পর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং তাদের নামে মামলা করা হয়। পরে এফআইআর প্রত্যাহারের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করা হলেও, সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিজিৎ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর পরিবারের একাধিক ভোট রয়েছে এবং সময় এলে তার প্রতিফলন ব্যালটের মাধ্যমেই দেখা যাবে।
এদিকে, বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউতের জেন-জি প্রজন্ম নিয়ে করা মন্তব্য প্রসঙ্গে অভিজিৎ দীপক বলেন, কঙ্গনাকে তিনি ‘পার্ট-টাইম’ রাজনীতিক মনে করেন, তাই এ বিষয়ে আলাদা প্রতিক্রিয়া দেওয়ার প্রয়োজন দেখেন না।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।



