আম্পানের প্রভাবে ২০ হাজার মানুষের মানবেতর জীবন যাপন

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে দারচিরা ও ডিগ্রী নদী ভাঙ্গনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। জীবন-জীবিকা বিপন্নের শঙ্কায় গোটা ইউনিয়নবাসী।
ফলে অভাবের সাথে জীবন যুদ্ধে কাটছে তাদের দিন। র্দূভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত বাঁধ নির্মানের দাবি এলাবাসীর। তবে খুব দ্রুতই কাজ শুরু করার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের।
ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলায় বিধ্বস্ত হওয়া পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়া বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলেও, প্রতি বছরই তা নতুন কোন না কোন দূর্যোগ এসে ভেঙ্গে যায়। তার ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। ঘূর্ণিঝড় আমপানে দারচিরা ও ডিগ্রী নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে, চার কিলোমিটার বেরিবাঁধ আবারও বিধ্বস্ত হয়ে, সমতল ভূমির সাথে মিশে যায়।
ফলে, স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে যায় চালিতাবুনিয়া, চরলতা, গরুভাঙ্গা, চিনাবুনিয়া, বিবির হাওলা, উত্তর চালিতাবুনিয়া, দক্ষিণ চালিতাবুনিয়া, ছয়ন্বর, গোলবুনিয়া, মরাজঙ্গীসহ ১২টি গ্রাম।
বিগত বছর রিং বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছিল। পুনরায় বাঁধ বিধ্বস্ত হওয়ায় হাজার হাজার একর জমি আবারও অনাবাদি হয়ে পরেছে। দেখা দিয়েছে খাবার পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট। বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাই দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান চেয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জানালেন, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী। তবে শুধু আশ্বাসের বানী নয়, নদীভাঙ্গন রোধে কতৃপক্ষের কারযকর পদক্ষেপ চেয়েছেন ভূক্তভোগীরা।
সৈয়দ হুমায়ুন কবির, পটুয়াখালী প্রতিনিধি



