অর্থনীতিবানিজ্য সংবাদবিশ্ব বানিজ্য

প্রবাসে হাত বাড়ালেই মিলে দেশীয় পণ্য

প্রবাসে দেশীয় পণ্য:

সময়ের সাথে বদলে যাচ্ছে মানুষের খাদ্যভাস। এই পরিবর্তন ছুঁয়ে গেছে শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। যে পরিবর্তনে ভাত ও রুটির পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে বিস্কুট-পাউরুটির মতো খাদ্যপণ্য।

শুধু বিস্কুট,পাউরুটি নয়। চাহিদা বাড়ছে জ্যাম,জেলি,সস,মসলা,জুস,সরিষার তেল,আচার ও সুগন্ধি চালের পাশাপাশি,

প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্যে নতুন নতুন পণ্য। সম্প্রসারিত হচ্ছে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজারও।

২০০০ সালের দিকে শুরু হয় প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি কার্যক্রম। একে একে রপ্তানি বাজারের তালিকায় যোগ হয়েছে ইইউ,যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ১৪০টি দেশ।

চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অথচ এডিবি বলছে,সম্ভাবনা রয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকার।

আর এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা দেয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

আর ভোক্তা চাহিদা মেটাতে দেশের শতাধিক প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি পণ্য সরবরাহে কাজ করছেন প্রায় ২০ লাখ মানুষ।

তাই দেশের পাশাপাশি প্রবাসেও হাত বাড়ালেই মিলে দেশীয় পণ্য। চাহিদা মেটাতে দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে তৈরি হচ্ছে প্রায় ৮০০ ধরনের পণ্য।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার খাদ্যপণ্য। যদিও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের তথ্যমতে,

শুধু প্রতিবেশি দেশগুলোতেই ১২ হাজার কোটি টাকার কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা বেশি, সে অনুযায়ী খাত করে মেলার আয়োজন করতে পারলে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসবে।

কথা হয় প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা সাথে তিনি জানান,অভ্যন্তরীণ বাজারে টাকার অঙ্কে প্রায় ৫০ হাজার কোটির টাকার মার্কেট।

উত্তর বঙ্গে যদি স্বল্প মূল্যে গ্যাস-জ্বালানি সরবরাহ করা যেত তাহলে এই শিল্প আরো বেশি প্রসার লাভ করতো।

বাংলাটিভি/এসএম/এবি

||রনক হাসান||

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close