
জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়ন ও অগ্রগতির কারণে মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়েছে। বিগত ১০ বছরে দেশের মানুষ উন্নয়নের সুফল পেয়েছে।
সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যখন কোন দলের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন, তখন তাকে কোনভাবেই আটকে রাখা যায় না উল্লখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামাত জোট পরাজিত হয়েছে অযোগ্য নেতৃত্ব, মনোনয়ন বাণিজ্য আর সন্ত্রাসী পরিচয়ের কারণে তাদের আগুন-সন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড সাধারণ মানুষ ভোলেনি।
‘২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে। সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, আগামি পাঁচ বছরে দেড় কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে’।
নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ি দেশের প্রতিটি গ্রামে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেয়া এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, এই পররাষ্ট্রনীতি নিয়েই চলবে বাংলাদেশ।
সরকার দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবে। সরকারি সেবাখাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় জীবনের সর্বত্র আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে বলে জানান শেখ হাসিনা।
এসময় বিরোধীদলের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে সংসদে যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি উচ্ছেদ করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক, জঙ্গি তৎপরতা এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করা হবে। গড়ে তোলা হবে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতামুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ।
বাংলাটিভি/রাজু



