
রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে সব রাসায়নিক কারখানা ও গুদাম সরিয়ে নিতে পঞ্চম দিনের মত সিটি কর্পোরেশনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় টাস্কফোর্স। চকবাজারের বকশি বাজার ও লালবাগ এলাকায় রাসায়নিক গুদাম রয়েছে এমন কয়েকটি বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব বাড়ির বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসসহ বিভিন্ন পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
পুরান ঢাকা রাসায়নিক কারাখানা ও গুদাম সরিয়ে নিতে পঞ্চম দিনের মত অভিযান অব্যাহত রেখেছে জাতীয় টাস্কফোর্সের টিম-২ এর সদস্যরা। বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে আজ মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করা হয় চকবাজারের বকশি বাজার ও লালবাগ এলাকার কয়েকটি বাড়িতে।বেলা সাড়ে ১২টা থেকে পুরান ঢাকায় কেমিক্যাল কারখানায় এ অভিযান শুরু হয়।
রাসায়নিক কারখানা ও গুদামের সন্ধান পাওয়া গেছে এমন কয়েকটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পানি ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারা। টাস্কফোর্সের এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেমিক্যাল ব্যবসায়ীরা।
তবে এসব অভিযোগ আমলে না নিয়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন টাস্কফোর্স কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ।
এই অভিযানে সাধারণ মানুষের ভেতরে সচেতনতা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ।
অভিযানে জনজীবনে দুর্ভোগ বা ভোগান্তির সৃষ্টি করে এমন কোন পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বরং তাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ছিলো চোখের পড়ার মত।
গেলো চারদিনে ৬৫টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে ডিএসসিসির টাস্কফোর্স । এসব ভবনের বেশিরভাগেই রাসায়নিক কারখানা পাওয়া যায়। যেসব ভবনের কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে ওইসব কক্ষ থেকে অবৈধ প্লাস্টিক কারখান ও রাসায়নিক গুদাম সরিয়ে নেওয়া হলে আবারও সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানান টাস্কফোর্স কর্মকর্তা।
পুরান ঢাকার চকবাজারে ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় অন্তত ৭১ জনের মৃত্য হয়। এতে আহত হয় ৫৫জন। আহতদের সরকারিভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকায় অভিযান শুরু করে সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের এ অভিযান চলবে আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত।
বাংলাটিভি/হাকিম



