
পাবনার শহীদ এ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে অস্ত্রসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাবনা জেলাসহ ১৪টি জেলার ৫৯৫জন চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণ করেছেন।
এরমধ্যে পাবনাসহ ১৪টি জেলার পাবনা, নওগাঁ, জয়পুরহাট, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, বগুড়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, খুলনা, সাতক্ষীরা, নড়াইল, যশোর ও টাঙ্গাইল এবং ৪ টি দলের পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টি, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট (লাল পতাকা) পার্টি, নিউ বিপ্লবি কমিউনিস্ট পার্টি ও কাদামাটি পার্টি চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণ করে।
এদিকে আত্মসমর্পণ সময় চরমপন্থিরা আগ্নেয়াস্ত্র ও স্থানীয়ভাবে তৈরি অস্ত্র মন্ত্রীর নিকট জমা দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আত্মসমর্পণের সময়ে, মন্ত্রী তাদের ১৬ জন দলনেতাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুবিধার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন ।
এসময় মন্ত্রী বলেন, অন্ধকার পথ ছেড়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আলোকিত জীবন যাপনে ফিরে আসার জন্য আজকে যারা আত্মসমর্পণ করল। তারা ভবিষ্যতে সততার সঙ্গে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে সেজন্য সরকারের পক্ষ হতে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা আত্মসমর্পণ করলেন আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। তারা সরকারের পক্ষ হতে আইনি সহযোগিতা পাবেন। এখনও যারা আত্মসমর্পণ করেননি তারা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আত্মসমর্পণের সুযোগটি গ্রহণ করুন। আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এখন অনেক আধুনিক ও চৌকস। আপনারা আর নৈরাজ্য করার সুযোগ পাবেন না।
তিনি আরও বলেন, নিজেদের পরিবারের দুঃখ দুর্দশার কথা চিন্তা করে, সুস্থ্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার নির্দেশ দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে কোন দুস্কৃতিকারীদের স্থান দেবে না। এখন যারা জলদস্যু, বনদস্যু ও মাদককারবারিরা আছে, তারা সবাই আত্মসমর্পণ করছে। সকল প্রকার দুস্কৃতিকারীদের আহ্বান করছি, আপনারা সবাই আত্মসমর্পণ করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন।
পাবনা জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং পাবনা জেলা পুলিশ সুপারের সভাপতিত্বে আয়োজিত চরমপন্থিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শামসুর রহমান ডিলু, সংসদ সদস্য এ্যাড. মো. শামসুল হক টুকু, সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, সদস্য সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. মকবুল হোসেন ও সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবীর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
বাংলাটিভি/ফাতেমা/হাকিম



