পহেলা বৈশাখের জন্য রমনা বটমূল প্রস্তুতি

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরই পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নিতে রাজধানীতে প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। প্রস্তুত রমনার বটমূলও। কাল ভোর থেকেই শুরু হবে বাংলা নববর্ষ বরণ করে নেওয়ার সব আয়োজন।
সূর্যোদয়ের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছায়ানটের শিল্পীরা একসঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে উঠবেন ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো।’ আয়োজকরা জানান, দিনের শুরুতে ছায়ানটের আয়োজনে রমনার বটমূলে শুরু হবে বর্ষবরণ। এবারের ভাবনা- ‘সমপ্রীতি ও স্বদেশ’। এখানে গান গাইবেন অতিথি শিল্পী ও ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিল্পীরা।

জানা গেছে, ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানটের এ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা। এবারও ছায়ানটের শিল্পীরা পহেলা বৈশাখ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রমনার বটমূলে সম্মিলিত কণ্ঠে গান গেয়ে নতুন বছরকে আহ্বান জানাবেন।
যদিও স্থানটির পরিচিতি বটমূল হলেও প্রকৃতপক্ষে যে গাছের ছায়ায় মঞ্চ তৈরি হয় সেটি বট নয়, অশ্বত্থ গাছ। বিজ্ঞাপন এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন। নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। রমনা পার্কটিকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। শতাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার কাজ চলছে।

পাশাপাশি পুলিশ ও র্যাবের পৃথক কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হচ্ছে। রমনা বটমুলে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হচ্ছে। আজকের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য সকল আয়োজন শেষ করা হবে বলে কর্তব্যরত পুলিশ জানায়। মৎস্য ভবনের গেইট দিয়ে দর্শনার্থীরা সারিবদ্ধভাবে রমনা পার্কের ভেতরে ঢুকবে। গেইটে থাকবে আর্চওয়ে ও দেহ তল্লাশি করার ডিটেক্টর মেশিন।

পুলিশের সদস্যরা মিষ্টি, গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করবে দর্শনার্থীদের। বর্ষবরণ উপলক্ষে রমনা পার্ক সাজানো হচ্ছে রং আর বেলুন দিয়ে।
বাংলাটিভি/রাজু



