আইন-বিচারবাংলাদেশবিএনপি

গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছর কারাদণ্ড

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যবসায়িক সহযোগী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ৭ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণায় তাকে ১২ কোটি টাকার অর্থদণ্ড দেয়া হয়। সেই সঙ্গে বিদেশে পাচার করা টাকা বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ারও নির্দেশ দেন বিচারক। রায় ঘোষণার সময় মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

বিটিএল ও গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালের চেয়ারম্যান এম শাহজাদ আলী রেলওয়ের সিগন্যাল সিস্টেম আধুনিকায়নের টেন্ডার পান। কিন্তু কার্যাদেশ চূড়ান্ত করার সময় মামুন তার কাছে অবৈধ কমিশন দাবি করেন।

মামুনকে ছয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা দেয়া হয়। পরবর্তীতে এ টাকা বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে পাচার করেন তিনি। ওই ঘটনায় ২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

অর্থপাচারের মামলায় মামুনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১২ কোটি টাকা জরিমানা করেছে আদালত। মামুনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ৮ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম,দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর। আসামি পক্ষে আসাদুজ্জামান,জাহেদুল ইসলাম কোয়েল ও হেলাল উদ্দিন যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু  মামুন। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।

বাংলাটিভি/ফাতেমা/হাকিম

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button