ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় ফণী, যেকোন সময় আঘাত হানতে পারে
মোংলা ও সমুদ্রবন্দর এলাকায়-৭ নম্বর বিপদ সংকেত

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঘুর্ণিঝরের আতঙ্কে মানুষ দিশেহারা। এখন ফণীর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর এলাকায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে সর্বত্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে সামনে অমাবস্যা থাকায় উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি বাগরেহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে এই জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশের স্থলভাগ পার হওয়ার সময় জানমালের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসের কারণে বিপুল ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফণীর সম্ভাব্য ক্ষয়-ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের ইতোমধ্যে সতর্ক করা হচ্ছে। ঘর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সরকার সবধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
আবহাওয়া অধদিপ্তররে তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় উচ্চতার জলোচ্ছাস দেখা গিয়েছিল ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের সময়। ওই বছরের ১২ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়েরর সময় ১০ থকেে ৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ছেলি চট্টগ্রামের নিচু এলাকা। ঝড় উপকূল পার হওয়ার সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ২২৪ কলিোমটিার। ৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কথা মানুষ এখনও ভুলতে পারেনি। ১৯৯১ সালরে র্ঘূণঝিড়রে সময় চট্টগ্রামে ১২ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা গয়িছেলি। ওই ঝড়ের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ২২৫ কিলোমিটার।
আবহাওয়া অফসি বলছে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ব্যাগে এ ঝড় শুক্রবার ভারতের ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে সন্ধ্যার দিকে খুলনাসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে। ঘর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসেরএকটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯ উপকূলীয় জেলায় ৫৬ হাজার স্বচ্ছোসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গে তারা মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসবে। উপকূলীয় ১৯ জেলায় তিন হাজার ৮৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বেশিরভাগ আশ্রয় কেন্দ্রই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এম, হাবিল, বাংলা টিভি ঢাকা।



