দেশবাংলা

টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীতে চলছে দূর্গা পূজার ব্যাপক প্রস্তুতি

হাবিবুল্লাহ কামাল ও শিহাবুর রহমান : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। এই পুজা উপলক্ষে সারাদেশের মতো টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ীতে চলছে দূর্গা পূজা আয়োজনের ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। মাটির কাজ শেষে মুর্তিতে এখন চলছে রঙের কাজ। আর রঙের কাজ শেষ হলেই প্রতিমাগুলোকে পরানো হবে পোশাক ও অলংকার। একই সাথে চলছে মন্ডপ সাজসজ্জার কাজ। এ উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আগামী ৩ অক্টোবর পঞ্চমী পুজার মধ্যদিয়ে সারাদেশে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবল্বীদের প্রধান ও বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা। ৮ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ উৎসব। সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে উদযাপিত হবে দূর্গা পূজা। জেলার ১২টি উপজেলায় এবার ১২ শতাধিক মন্ডপে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এখন প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা।

সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানালেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম।

রাজবাড়ীর সুন্দরকান্দি সার্বজনীন পূজা মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৪সালে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকসেনাদের ভয়ে রাজবাড়ীতে যখন কোনো মন্দিরে পূজা উদযাপন হয়নি, তখনো এ মন্দিরটিতে ঢাক ঢোল পিটিয়ে পূঁজা করা হতো। এক সময় দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে প্রায় ৫০টি জেলার দর্শনার্থীরা এখানে পূজা দেখতে আসতেন। দেশের গন্ডি পেরিয়ে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও আসতেন পূজা প্রেমীরা।

ইতোপূর্বে এখানে ৫২ খন্ডের প্রতিমা তৈরী করে পূজা করা হলেও, দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ সেটা বন্ধ ছিলো। কিন্তু এবার এ মন্দিরে ৭৫ তম পূজা উপলক্ষে ৪২টি প্রতিমা তৈরী করেছেন আয়োজকরা।

মূল মন্ডপ ছাড়াও মন্ডপ তৈরী করা হয়েছে আরো ১০টি। আর সে কারণেই দশো মহাবিদ্যা পূজা হবে মন্দিরটিতে। এটি তৈরী করতে ৪ থেকে ৫ জন কারিগর সময় পার করেছেন প্রায় ৪ মাস ধরে।

ঐতিহ্যবাহী এ পূজাতে আগের মতো এবারও বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারো দর্শানার্থীর সমাগম হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

বাংলাটিভি/ এসনূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close