দেশবাংলা

গাংনীতে ৯ মাসে ৫শ ১ জন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত

আকতারুজ্জামান, মেহেরপুর : মেহেরপুরের গাংনীতে গত ৯ মাসে ৫শ ১ জন রোগী অ্যানথ্রাক্স এর চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রতিদিনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছে চিকিৎসা নিতে রোগী। অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত গবাদি পশুর মাংস খেয়ে এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানান চিকিৎসকরা। তবে এলাকাবাসি ও খামারীরা জানান, অসচেতনতা আর প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার কারণে এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভিটাপাড়ার আমিরুল ইসলাম। গত ১০ দিন আগে তার একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি এটি জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। তার দুদিন পরই দুই হাত-মুখে ফোড়া ও পচন দেখা দেয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে চিকিৎসক জানান সে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত। আক্রান্ত হয়েছে তার পরিবারের আরো চারজন।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার বিডি দাস জানান, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গত ৯ মাসে ৫শ ১ জন রোগী অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়ে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদাসীনতার কারণে এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তফা বলেন, খামারীদের অজ্ঞতা, ক্রেতাদের অসচেতনতা এছাড়া কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে রোগ অতি দ্রুত জড়িয়ে পড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে এ এলাকার গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা দরকার বলে তাগিদ দেন তিনি।

ডা. গোলাম আজম (রোগতত্ব বিভাগ) জানান, রোগীদের রক্ত আর ফ্রিজে রাখা মাংস পরীক্ষা করে অ্যানথ্রাক্স জীবানু নিশ্চিত করা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান এব্যাপারে প্রচারণা ও জনসচেতনতা তৈরীর কথা জানিয়েছেন।

বাংলাটিভি/  সৌরভ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close