অন্যান্য

যেসব কারণে স্তন ক্যান্সার হয় ও বোঝার উপায়

বাড়তি ওজন স্তন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। বয়স একটি বড় রিস্ক ফ্যাক্টর। বয়স ৩০ বছর পার হলেই নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা উচিৎ। কোনো রকম অস্বাভাবিকতা দেখলে সতর্ক হন। কোনো ব্যথাহীন ফোলা অংশ আছে বুঝলেই ডাক্তার দেখান।

দেরিতে বিয়ে বা বিয়ে না করা কিংবা সন্তান না হওয়া স্তন ক্যান্সোর ডেকে আনতে পারে। অল্প বয়সে মেনার্কি অর্থাৎ পিরিয়ড শুরু হওয়া এবং বেশি বয়সে মেনোপজ হলে দীর্ঘ দিন ইস্ট্রোজেনের সঙ্গে সহবাস করতে হয়। ইস্ট্রোজেন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

এক্ষেত্রে নিপলের গঠন বদলে গেলে বা ভিতরের দিকে ঢুকে গেলে কিংবা কোনো ডিসচার্জ হলেও অবিলম্বে ডাক্তার দেখান। স্তনের আকারের হেরফের হলেও সতর্ক হতে হবে। যে কোনো ক্যান্সারের একটা উল্লেখযোগ্য উপসর্গ ওজন কমে যাওয়া। কোনো কারণ ছাড়া ওজন কমলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।

আবার সন্তানকে বুকের দুধ না পান করালেও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। ভাজাভুজি ও তৈলাক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট খেলে ওজন বেড়ে যায়, ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। কিংবা অ্যালকোহল, তামাক সেবন অন্যান্য শারীরিক সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। রেডিয়েশনে এক্সপোজার হলেও ঝুঁকি থাকে।

বংশে এর আগে কেউ আক্রান্ত হলে অর্থাৎ মা, বোন, খালা, ফুফুর স্তন ওভারি ক্যান্সার থাকলে ঝুঁকি বেশি। বিএআরসিএ ১, ও বিএআরসি ২, জিন থাকলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি।

স্তনের ত্বকের কোনো অংশ পুরু হয়ে গেলে সতর্ক হন। লালচে বা ঈষৎ কমলা রঙের ত্বক দেখলে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনার কথা ভাবতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close