বিশ্ববাংলা

প্রবাসীদের দাবি বাংলাদেশেও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা হোক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাজার হাজার গাড়ী থাকলেও, আরবী বা প্রবাসীদের কারো ভেপু বা গাড়ীর হর্ণের শব্দ শোনা যায় না। সেখানে প্রায় সব মুসলিম দেশের নাগরিকসহ বিশ্বের লাখ লাখ প্রবাসী্রা বাস করলেও, মাইকের শব্দ সেখানে কোন বিপদ আপদ বা সতর্কতা ছাড়া গাড়ীর কোন হর্ণও বাজানো হয় না।

আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের দাবি, বাংলাদেশেও যেন সেখানকার মত গাড়ীর হর্ণ ও মাইকের শব্দের ব্যবহার সহনীয় পর্যায়ে করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮ লক্ষাধিক প্রবাসীসহ প্রায় পৌনে দুই কোটি মানুষের বাস। লাইট ও হেভী সবমিলিয়ে ৩৫ লাখেরও অধিক গাড়ী চলাচল করে। তারপরও সেখানে সড়কে যেমন নেই কোন গাড়ীর হর্ণের শব্দ, তেমনি শহরে বা লোকালয়ে নেই কোন মাইকের শব্দ।

কখনও কখনও গাড়ীর হর্ণ কেউ দিলেও তা কাউকে সম্মান বা সালাম করতে দেয়া হয়। মাইক শুধু মসজিদে আজানের জন্য ব্যবহৃত হয়। অনুষ্ঠানে সীমিত আকারের সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, হল কিংবা মিলনায়তনে। খোলা মাঠে ময়দানে, রাস্তাঘাটে কোন মাইক ব্যবহার করা হয় না।

এমনকি জুম্মা কিংবা ঈদের নামাজের খুৎবাও দেয়া হয় সীমিত আকারের সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে। প্রবাসীদের মিলাদ মাহফিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হল কিংবা অডিটরিয়মের ভেতর সাউন্ড সিস্টেমে হয়। যার আওযাজ বাইরে কেউ শোনেন না।

এসবে অভ্যস্হ প্রবাসীরা দেশে গেলে, হর্ণ আর মাইকের শব্দে অতীষ্ট হয়ে পড়েন। তাই নির্দিষ্ট নীতিমালা করে শব্দ সন্ত্রাস থেকে দেশের মানুষকে মুক্তি দেয়ার দাবি তাদের। এদিকে, অভিজ্ঞ মহলের অভিমত, সরকার সচেষ্ট হলে শব্দ সন্ত্রাস রোধ করা অসম্ভব নয়।

এম আবদুল মান্নান, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close