বিশ্ববাংলা

মাটিহীন চাষে বাংলাদেশি গবেষকের সফলতা

মাটিবিহীন সবজি ও মাছ চাষ তথা ‘অ্যাকোয়াপনিক্স’ নিয়ে গবেষণার একটি সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ। ইতোমধ্যে গবেষণার অর্জিত ফল তুলে ধরেছেন বিশ্ব পরিমণ্ডলে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে সম্প্রতি তিন দিনের ‘অ্যাকোয়াপনিক্স কনফারেন্স-২০১৯’-এ বাংলাদেশ থেকে আসা একমাত্র প্রতিনিধি এই তরুণ গবেষক জানালেন, ‘অ্যাকোয়াপনিক্স পদ্ধতিতে কোনো সার ব্যবহার করা হয় না। তাই এর পুষ্টিমান খুব ভালো। বাংলাদেশে এই পদ্ধতিতে প্রায় ২১ ধরনের শাকসবজি ও ফল উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।’

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার পর কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে পড়লে সেখানকার মানুষ যখন উৎপাদন করতে পারছিল না। ২০১২ সালের আগস্টে পরিকল্পনা কমিশন এবং ডানিডার অর্থায়নে অধ্যাপক আবদুস সালামের নেতৃত্বে একদল গবেষক সেখানে মাটিবিহীন মাছ ও সবজি চাষের ব্যবস্থাপনা প্রচলন করেন।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে ফিশারিজ ও মেরিন সায়েন্স বিভাগে ফিশারিজে স্নাতক এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। সেখানে অধ্যয়নরত অবস্থায় একোয়াপনিক্সের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন মো. আসাদুজ্জামান।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close