অন্যান্য

এসি বিস্ফোরণের কারণ ও প্রতিকার

সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের চাহিদার শীর্ষে থাকা নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহসামগ্রীর তালিকায় এসি বা এয়ার কন্ডিশন খুবই জনপ্রিয়। অনেকের কাছেই বিলাসবহুল মনে হলেও দিনদিনই এর ব্যবহার বাড়ছে। পাশাপাশি এই যন্ত্র থেকে বাড়ছে দুর্ঘটনাও।

গত সপ্তাহেই রাজধানীর বাড্ডায় এসি বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট আগুনে পুড়ে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। ব্যবহারের ক্ষেত্রে সামান্য অসাবধানতা ডেকে আনতে পারে বিপদ। তাই এসি বিস্ফোরণের বিষয়ে সবারই সচেতন হওয়া জরুরি।

যে কারণ গুলোতে এসির বিস্ফোরণ হতে পারে, এসির পাওয়ার কেব্‌ল সঠিক স্পেক–এর ব্যবহার না করলে। এসির কনডেনসারে ময়লা থাকলে কম্প্রেসরে হাই টেম্পারেচার ও হাই প্রেশার তৈরি হয়ে।

এসির ভেতরের পাইপের কোথাও ব্লকেজ হলে এসির ভেতরে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে কম্প্রেসর ব্লাস্ট হতে পারে। কম্প্রেসরের লিমিটের চেয়ে বেশি রেফ্রিজারেন্ট (refrigerant) চার্জ করলে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে। সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম না করলে।

কম্প্রেসরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ রেফ্রিজারেন্ট না থাকলে ভেতরের তাপমাত্রা লিমিটের চেয়ে বেড়ে গিয়ে। কম্প্রেসরে সঠিক পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট চার্জ না করলে কম্প্রেসরে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে। সঠিক রেটিংয়ের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার না করলে।

এসি বিস্ফোরণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়, ভালো মানের এবং সঠিক স্পেকের পাওয়ার ক্যাবল ব্যবহার করা। এসির কনডেনসার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা। কম্প্র্রেসারে হাই টেম্পারেচার এবং হাই প্রেশার তৈরি হচ্ছে কি না পরীক্ষা করা।

এসির ভেতরের পাইপের কোথাও ব্লকেজ আছে কি না পরীক্ষা করা। কম্প্র্রেসারে প্রয়োজনীয় পরিমাণ রেফ্রিজারেন্ট আছে কি না তা অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দ্বারা পরীক্ষা করা। কম্প্র্রেসর-এর লিমিটের চেয়ে বেশি রেফ্রিজারেন্ট চার্জ না করা এবং সঠিক পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট চার্জ করা। সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম করা।

বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের এসি, কম্প্র্রেসর এবং রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা। নিম্নমানের অখ্যাত কিংবা নকল ব্র্যান্ডের এসি এবং কম্প্র্রেসর কেনা এবং ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। সঠিক রেটিংয়ের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা। বারান্দা কিংবা খুব কাছে না রেখে ঘরের বাইরে এসি আউটডোর সেট করা।

এবং দীর্ঘদিন পর এসি চালু করার আগে একজন দক্ষ সার্ভিস এক্সপার্ট দিয়ে এসিটি পরীক্ষা করে নেওয়া।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close