ক্রিকেটখেলাধুলা

সাদা পোশাকে বিবর্ণ বাংলাদেশ

সাদা পোশাকের খেলায় আবারো দর্শকদের হতাশ করলেন, তামিম-মাহমুদউল্লাহরা। ১৬ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে টাইগারদের টেস্ট গড়ালেও, ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিক বিবর্ণতা কোনোভাবেই কাটিয়ে উঠছে পারছে না জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে প্রথমদিনেই টস হেরে আগে ব্যাট করে ২৩৩ রানেই গুটিয়ে গেছে সফরকারীদের প্রথম ইনিংস। সর্বোচ্চ ৬৩ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন।

এটি বাংলাদেশ দলের স্কোর কার্ড। শেষ পাঁচ টেস্ট ম্যাচের সাথে তেমন কোনো পার্থক্য নেই এ ম্যাচেও। বড় ফারাকটা হচ্ছে উদ্ধোধনী জুটিতে। তামিম ইকবালের সাথে ইনিংস শুরু করেন সাইফ হাসান। অভিষেক ম্যাচে গোল্ডেন ডাকের তিক্ততা পান এই ওপেনার।

বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত টেস্ট অভিষেকে শূন্য হাতে ফেরার সংখ্যা এ নিয়ে দাড়ালো ২২জনে। ইনিংসে তামিমও থিতু হতে পারলেন না। ঘরোয়া আসর বিসিএলে রানের ফুলঝুড়ি ছড়ালেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরেন মাত্র ৩ রান করে।

পরে চাপ সামলে ওঠার প্রবল মানসিকতার পরীক্ষায় মমিনুল হক-নাজমুল হোসেন শান্ত। দলকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেবার চেস্টা ছিলো, কিন্তু আবারো বিড়ম্বনার শিকার হয় বাংলাদেশ। তাদের ৫৯ রানের জুটিতে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেও চাপ থেকে বেরোতে পারলো না সফরকারীরা।

আগেই জানা ছিলো রাওয়ালপিন্ডির উইকেট পেসারদের জন্য স্বর্গরাজ্য। তাই বলে আব্বাস-নাসিম-শাহিন আফ্রিদিরা কি আহামরি কোনো ডেলিভারি করেছিলো? তাহলে, মোহাম্মদ কিভাবে মিঠুন তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক? প্রায় দেড় বছর পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাট উচিঁয়ে ধরেন তিনি।

লিটন দাসের সাথে ৫৪ এবং তাইজুরের সাথে ৫৩ রানের জুটি মিঠুনের। সফরকারীদের শুরুর ইনিংসে সাফল্য বলতে এটুকুই। ওদিকটায়, বল হাতে পুরো কৃর্তীত্বটা নিলেন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি চার উইকেট নিয়ে, দুটি করে নেন মোহাম্মদ আব্বাস এবং হারিস সোহেল। নাসিম শাহর শিকার একটি।

দিনের ৯০ ওভারও ব্যাট করতে পারেনি ২০ বছরের টেস্ট অভিজ্ঞ টাইগাররা। ২৩৩ রানেই অল-আউট ডোমিঙ্গ শিষ্যরা। পরে, আলো স্বল্পতার কারণে ব্যাটিংয়ে নামেটি পাকিস্তান।

মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button